বাচ্চাদের হাম( রুবেওলা) লক্ষণ,কারণ,করণীয় ও প্রতিকার
বাচ্চাদের হাম( রুবেওলা) লক্ষণ,কারণ,করণীয় ও প্রতিকার গুলো সম্পর্কে জানব। হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা সাধারণ শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এই রোগটি দ্রুত ছড়া এবং সময় মতন সঠিক যত্ন না নিলে গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ৫ বছর কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে। অনেক সময় অভিভাবকরা প্রথমে সাধারণ সর্দি-কাশি মনে করে অবহেলা করেন।
কিন্তু পরে হঠাৎ জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। তাই শুরুতে থেকে সম্পর্কিত সচেতন থাকা জরুরী।হাম প্রতিরোধের জন্য টিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলোও টিকা পাই না বা সময় মতন দেয়া হয় না। যার ফলে সংক্রমণে ঝুঁকি বাড়ে। তাই হাম সম্পর্কে অভিভাবকদের সঠিক তথ্য জানা থাকলে এর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবকেরা যদি সচেতন থাকে এই রোগের ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব।
পেজ সূচিপত্রঃবাচ্চাদের হাম( রুবেওলা) লক্ষণ,কারণ,করণীয় ও প্রতিকার
- হাম (রুবেওলা) কি?
- হামের কারণ কি?
- হাম কিভাবে ছড়ায়?
- শিশুদের হামের লক্ষণ কি কি
- শিশুদের হাম হলে করণীয়
- কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন
- হামের সম্ভাব্য জটিলতা
- শিশুদের হামের চিকিৎসা
- হামের ঘরোয়া যত্ন
- হাম প্রতিরোধের উপায়
- শিশুর খাবার কেমন হওয়া উচিত
- হাম হলে কি করবেন না
- FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
- উপসংহার বাচ্চাদের হাম( রুবেওলা) লক্ষণ,কারণ,করণীয় ও প্রতিকার
হাম (রুবেওলা) কি?
হাম হলো একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা মূলত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। এ রোগটি মিজলস ভাইরাসের কারণে হয়। এই ভাইরাসটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি,হাঁচি বা কথা বলার সময়ে বাতাসে ছড়িয়ে অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।
শিশুদের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করার পর সাধারণত ৭-১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পেতে
শুরু করে। প্রথমে ঠান্ডা লাগার মতন লক্ষণ দেখা যায় যেমন সর্দি কাশি হালকা জ্বর।
পরে জ্বর বাড়তে থাকে এবং শরীরের লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
হামের সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ফলে অন্য সংক্রমণে ঝুঁকি বেড়ে
যায়। তাই এটি শুধু একটি সাধারণ রোগ নয় বরং অবহেলা করলে জটিল পরিস্থিতি তৈরি
করতে পারে।
হামের কারণ কি?
হাম একটি নির্দিষ্ট ভাইরাসের কারণে হয় যা অত্যন্ত সংক্রামক। ভাইরাসটি নাক ও
গলার ভেতর দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এবং পরে রক্তের মাধ্যমে শরীরে বিভিন্ন অংশে
ছড়িয়ে পড়ে। হামের প্রধান কারণগুলো হলো-
- আক্রান্ত ব্যক্তির সহজ স্পর্শে আসা।
- কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসা ছড়ানো ভাইরাস।
- দূষিত বস্তু স্পর্শ করার পর মুখে হাত দেওয়া।
- টিকা না নেওয়ায় শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।
- ভিড় পূর্ণ পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকা।
- দুর্বল রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা
- ছোট শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা
- অপরিষ্কার পরিবেশে থাকা।
এ ভাইরাসটি বাতাসে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। তাই একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। হাম মূলত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং টিকা না নিলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। তাই সময় মত টিকা নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।
হাম কিভাবে ছড়ায়?
হাম খুব দ্রুত ছড়ায় এবং একজন আক্রান্ত শিশুর অনেককে সংক্রমিত করতে পারে। হাম
একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ এবং এটি খুব সহজে একজন থেকে অন্য জনের মধ্যে
ছড়িয়ে পড়ে। ছড়ানোর প্রধান উপায় হল।
আরো পড়ুনঃ মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ২১টি উপায়
- আক্রান্ত শিশুর কাশি বা হাঁচি।
- একই ঘরে দীর্ঘ সময় থাকা।
- খেলনা কাপড় বা বাসনপত্র ভাগাভাগি করা।
- ফুসকুড়ি ওঠার আগে সংক্রমণ ছড়ানো।
- স্কুল বা ডে- কেয়ার এর কাছাকাছি থাকা।
বিশেষ করে যেসব শিশু টিকা নেইনি তাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
তাই সময় মতন টিকা দেওয়া জরুরী শিশুদের।
শিশুদের হামের লক্ষণ কি কি
শিশুদের হাম সাধারণত ধাপে ধাপে প্রকাশ পায়। শুরুতে সাধারণ ঠান্ডার মতো মনে হল
পরে স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়। শুরুতে সাধারণত ঠান্ডা বা জ্বরের মত মনে হলো
কয়েক দিনের মধ্যে সহজে চিহ্নিত করা যায় প্রধান কারণগুলো।
প্রাথমিক লক্ষণ
- জ্বর
- সর্দি
- কাশি
- চোখ লাল হওয়া
- চোখ দিয়ে পানি পড়া
- শরীরে ব্যথা
- ক্লান্তি
বিশেষ লক্ষণ
- মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ
- আলোর প্রতি সমবেদনশীলতা
- খাবারে অনীহা
- গলা ব্যথা
- দুর্বলতা
ফুসকুড়ির পর্যায়
- প্রথমে মুখে ফুসকুড়ি
- পরে গলা ও বুক
- এরপরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া
- জ্বর বেড়ে যেতে পারে সাধারণত ১০১-১০৪ ডিগ্রি F পর্যন্ত উঠে
- ৩-৫ দিনের মধ্যে কমে যাওয়া
- এই ফুসকুড়ি গুলো লালচে হয় এবং ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়
শিশুদের হাম হলে করণীয়
শিশুদেরহাম হলে দ্রুত এবং সঠিকভাবে যন্ত্রণাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে সংক্রমণ
নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং জটিলতা এড়ানো যায়।হাম হলে ঘরে বসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ
পদক্ষেপ নেয়া জরুরী। বিশেষ করে বাচ্চাদের খাবার থেকে পরিবেশগত সব দিক দিয়ে।
শিশুদের হাম হলে করণীয় গুলো হল।
- শিশুকে আলাদা রাখুন
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন
- বেশি তরল খাবার দিন
- জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ দিন
- পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান
- চোখে আলো কম দিন
- পরিষ্কার পরিবেশে রাখুন
- নিয়মিত শরীরের তাপমাত্রা দেখুন
- হাম হলে শিশুর শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে তাই তাকে বেশি যত্ন নেয়া প্রয়োজন।
কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন
শিশুদের হাম সাধারণত স্বাভাবিক যত্ন ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে ভালো হয়ে
যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেয়া জরুরী। নিচে সেই
পরিস্থিতি গুলো দেওয়া হল। এই পরিস্থিতি বা লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে
দ্রুত চিকিৎসা কার কাছে যাওয়া প্রয়োজন।
- শ্বাসকষ্ট
- বারবার বমি
- খিচুনি
- শিশুর অস্বাভাবিক নিস্তেজ ভাব
- চোখ ঘোলা হয়ে যাওয়া
- জ্বর কমছে না
- খেতে না পারা
- ডায়রিয়া
- অত্যধিক দুর্বলতা
- কান ব্যথা
এই লক্ষণগুলো জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে। এ লক্ষণ গুলো দেখলে দেরি না করে ডাক্তারের
কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। দ্রুত চিকিৎসা নেয়ায় জটিলতা কমে এবং শিশু দ্রুত সুস্থ
হয়।
হামের সম্ভাব্য জটিলতা
চিকিৎসা না করলে হামের গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে। হাম সাধারণত স্বাভাবিকভাবে
ভালো হয়ে যায় তবে কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। ৫ বছরের
কম বয়সী শিশু দুর্বল রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বা পুষ্টিহীন শিশুদের মধ্যে জটিলতার
ঝুঁকি বেশি থাকে। হাম থেকে যে জটিলতা গুলো দেখা দিতে পারে তা হল।
- নিউমোনিয়া
- ডায়রিয়া
- কানের সংক্রমণ
- চোখের সমস্যা
- অপুষ্টি
- মস্তিষ্কের প্রদাহ
- শ্বাসকষ্ট
- দুর্বলতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়া
শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া সবচেয়ে সাধারণ জটিলতা। যদি শিশুর মধ্যে এ ধরনের
জটিলতা দেখা দেয় দেরি না করে ডাক্তারের কাছে দ্রুত নিন। সময় মত চিকিৎসা নিলে
জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং শিশু তাড়াতাড়ি সুস্থ হবে।
শিশুদের হামের চিকিৎসা
শিশুদের হাম একটি ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ায় এর সরাসরি কোন ওষুধ নেই যা ভাইরাসকে
নষ্ট করতে পারে। তাই চিকিৎসা মূলত লক্ষণ অনুযায়ী এবং শিশুর আরাম বাড়ানোর উপর
কেন্দ্রিত। তাই এক কথায় বলতে পারেন হামের নির্দিষ্ট কোন ওষুধ নেই তবে লক্ষণ
অনুযায়ী চিকিৎসা করা যায়। চিকিৎসার মূল ধাপ।
- জ্বর কমানোর ওষুধ
- পর্যাপ্ত পানি
- বিশ্রাম
- ভিটামিন এ
- প্রয়োজন হলে অ্যান্টিবায়োটিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
- পুষ্টিকর খাবার
ভিটামিন এ শিশুর চোখ ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুদের হাম
চিকিৎসা মূলত সমর্থন মূলক ও লক্ষণ নির্ধারিত। যথাযথ যত্ন পর্যাপ্ত পানি ও খাবার
বিশ্রাম এবং প্রয়োজনীয় ডাক্তারের সহদেব দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
হামের ঘরোয়া যত্ন
ঘরের কিছু যত্ন শিশুর দ্রুত সুস্থতায় সাহায্য করে। অনেক সময় শিশুদের হাম
সাধারণত ঘরোয়া যত্নের মাধ্যমে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ঘরোয়া যত্ন মূলত
শিশুর আরাম বাড়ানো সংক্রমণ ছড়ানো রোধ করা এবং জটিলতা কমানোর দিকে মননিবাস
করে।
- হালকা খাবার দিন
- পরিষ্কার পরিবেশে রাখুন
- চোখ পরিষ্কার রাখুন
- গরম পানি দিয়ে শরীর মুছুন
- শিশুকে ভিড় থেকে দূরে রাখুন
- পর্যাপ্ত পানি পান করান
- নরম কাপড় পরান
- নিয়মিত বিছানা পরিষ্কার করুন
ঘরোয়া যত্ন চিকিৎসার পাশাপাশি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই বাচ্চাদের সুস্থ করতে হলে
ঘরোয়া যত্ন পাশাপাশি চিকিৎসকোর পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিত।
হাম প্রতিরোধের উপায়
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকরের উপায় হল টিকা। শিশুদের হাম প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাম একটি সংক্রমণ রোগ হওয়ায় এর কার্যকর প্রতিরোধ মূলত ঠিকা এবং পরিছন্নতার উপর নির্ভর করে।
- সময় মতন টিকা দেওয়া
- আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা
- হাত ধোয়ার অভ্যাস করা
- পরিষ্কার পরিবেশ বজায় রাখা
- পুষ্টিকর খাবার দেওয়া
- ভিড় এড়িয়ে চলা
- শিশুর খেলনা পরিষ্কার রাখা
- টিকা নেয়া থাকলে হাম হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
শিশুর খাবার কেমন হওয়া উচিত
হাম হলো শিশুর খাবারের বিশেষ নজর দিতে হবে। এজন্য শিশুদের খাবারের একটা তালিকা করতে হবে। যে খাবারগুলো শিশুদের জন্য পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যের জন্য উন্নতি করবে সে খাবারগুলো খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে। খাবারের তালিকা দেওয়া হল।
- ভাত ও ডাল
- স্যুপ
- ফলের রস
- দুধ
- নরম সবজি
- খিচুড়ি
হাম হলে শিশুদের যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত
- তেল যুক্ত খাবার
- ঝাল খাবার
- শক্ত খাবার
পুষ্টিকর খাবার শিশুর দ্রুত সুস্থতায় সাহায্য করে।
হাম হলে কি করবেন না
শিশুদের হাম হলে কিছু কাজ এড়িয়ে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাতে রোগ আরো খারাপ না হয় এবং সংক্রমণ কমানো যায়। নিচে মূল বিষয়গুলো দেওয়া হলো।
আরো পড়ুনঃ
শরীরের পানি শূন্যতা দূর করার উপায়
- শিশুকে ঠান্ডা পানিতে গোসল করাবেন না
- ভিড়ের মধ্যে নিয়ে যাবেন না
- নিজে নিজে ওষুধ খাওয়াবেন না
- ফুসকুড়ি ঘুষবেন না
- শিশুকে জোর করে খাওয়াবেন না
- মসলাযুক্ত খাবার খাওয়াবেন না
- শিশুকে বেশি চুলকাতে দেওয়া যাবে না
- ঠান্ডা বা অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার দেওয়া যাবেনা
এ ভুলগুলো করলে সমস্যা বাড়তে পারে। হাম আক্রান্ত শিশুর জন্য সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ হলো ধৈর্য ধরে সঠিক যত্ন নেয়া এবং কিছু ভুল অভ্যাস এড়িয়ে চলা।
FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ বাচ্চাদের হাম হলে কি গোসল করানো যাবে?
উত্তরঃ হ্যাঁ, হাম থাকলেও শিশুদেরকে সাধারণভাবে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করানো যায়। তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা ভিজিয়ে রাখা এড়াতে হবে।
প্রশ্নঃ হামের টিকা কখন দিতে হয়?
উত্তরঃ শিশুর প্রথম ডোজ হাম মিজলস বা রুবেওলা টিকা দেওয়ার সময় ৯মাস। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় ১৫-১৮ মাস এর মধ্যে।
প্রশ্নঃ হাম সারতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ হাম সাধারণত শিশুর শরীরের জ্বর শুরু থেকে ফুসকুড়ি পর্যন্ত ৭-১০ দিন সময় নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ হলে এবং শরীর পুনরায় শক্তিশালী হতে সাধারণত ১০-১৪ দিন সময় লাগে।
উপসংহার বাচ্চাদের হাম( রুবেওলা) লক্ষণ,কারণ,করণীয় ও প্রতিকার
হাম শিশুদের জন্য সাধারণ হোলো অবহেলা করলে এটি বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া শিশুকে আলাদা রাখা এবং পর্যাপ্ত যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। সময় মতন টিকা দিলে এর রোগ থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যায়।বাচ্চাদের হাম( রুবেওলা) লক্ষণ,কারণ,করণীয় ও প্রতিকার সবগুলো উপরে আলোচনা করেছি। অভিভাবকরা যদি একটু সচেতন এবং শিশুর সঠিক যত্ন নেই তাহলে শিশু নিরাপদে থাকবে। শিশু অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া সবচেয়ে ভালো। এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url