ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট এবং শেখার সহজ নিয়ম
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট এর সম্পর্কে অনেকের মনে আছে। অনেকে জানিও না ফ্রিল্যান্সিং কি।আপনি যদি আপনার ক্যারিয়ার ফ্রিল্যান্সিং এরমাধ্যমে গড়ে তুলতে চান তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিং এর সম্পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে হবে
পেজ সূচিপত্রঃ ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট ও শেখার সহজ উপায়
- কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন তার উপায়
- ফ্রিল্যান্সিং শিখার ধাপসমূহ
- ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট এবং শেখার সহজ উপায়
- ফ্রিল্যান্সিং কি
- কেন ফ্রিল্যান্সিং গুরুত্বপূর্ণ
- ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি
- ফ্রিল্যান্সিংয়ের সেক্টর কয়টি
- সরকারিভাবে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স
- FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট এবং বিস্তারিত
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন তার উপায়
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন এরকম আপনার মনে যদি প্রশ্ন থাকে। চলুন তাহলে আপনার প্রশ্নের সমাধান গুলো দিয়ে। ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হলে প্রথমে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জ্ঞান নিতে হবে। সেই সাথে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে হবে। আপনি কোন ধরনের কাজ করতে চান।গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ব্লগিং, ভিডিও এডিটিং, ফেসবুক মার্কেটিংএবং কন্টেন রাইটিং ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
এসব কাজ শেখার পরে সে দক্ষতা ব্যবহার করে অনলাইন কাজ খুঁজে বের করতে হবে। এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করে কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।একটা কথা মাথায় রাখবেন কোন কাজ একবারে হবে না। এজন্য আপনাকে ধৈর্য ,শ্রম, সময় দিতে হবে। সৎ পরিকল্পনা ও সৎ সাহস নিয়ে যদি কাজ করেন আর আপনার ভিতরে যদি ধৈর্য থাকে অবশ্যই আপনি ফ্রিল্যান্সিং কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবেন ইনশাল্লাহ। কারণ পরিশ্রম হল সফলতার চাবিকাঠি।
নতুনদের জন্য ক্ল্যান্সিং শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড। নিচে জানুন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট কাজ পাওয়ার উপায় এবং অনলাইনে ইনকাম শুরু করার সহজ পদ্ধতি।
ফ্রিল্যান্সিং শেখার ধাপসমূহ
- আপনি একটা দক্ষতা নির্বাচন করুন কাজের যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, ব্লগিং এবং ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি বিষয়ে। এসব থেকে একটি কাজ ভালোভাবে শিখে অনলাইন প্লাটফর্মে কাজ শুরু করে দিন।
- আপনি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর থেকে যে কাজটি শিখতে চান সে কাজের ওপর শিক্ষা গ্রহণ করুন।অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স করতে পারেন।আবার ভিডিও,বিভিন্ন টিউটোরিয়াল বা ব্লগ থেকে শিখতে পারেন।আপনি চাইলে বিভিন্ন প্রতিষ্টান থেকে শিখতে পারেন।
- আপনার কাজের স্কিল,দক্ষতা দিয়ে অনলাইন মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে পোর্টফোলিও তৈরি করুন।
- Upwork,Fiverr,Freelancer.com এর জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কাজের স্কিল বা দক্ষতা দিয়ে প্রোফাইল তৈরি করুন।
- আপনার কাজের স্কিল দিয়ে ক্লায়েন্টদের কাজ করার শুরু করুন।এবং ক্লায়েন্টদের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখুন।
- অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারদের সাথে সম্পর্ক রাখুন।তাদের থেকে অভিজ্ঞতা নিন। এবং নতুন নতুন শেখার আগ্রহ রাখুন।
- ক্লাইনদের সাথে সবসময় ভালো আচরণ করুন এবং সময় মতন কাল জমা দিন।
- ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের সব সময় নতুন নতুন চাহিদা তৈরি হয় তাই নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন এবং নিজেকে আপডেটে রাখুন।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট এবং শেখার সহজ উপায়
আমরা এতক্ষণ কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন এবং ফ্রিল্যান্সিং শেখার
ধাপসমূহ গুলো আলোচনা করলাম। এখন আপনি ভাবছেন কোথায় কাজ শিখব। এর জন্য কি করতে
হবে কার কাছে যাবো এসব ধরনের কথা আপনার মনের ভিতরে বাজছে। আপনার এসব মনের
প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য নিচে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা
ওয়েবসাইট এবং শেখার সহজ উপায় গুলো আলোচনা করব। যাতে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারেন
কোন সাইডে গিয়ে কাজ করলে আপনার সফলতা আসবে।
- কোর্সেরা (Coursera) ঃ এই কোর্সের মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কোর্স পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্কেল যেমন ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি শিখতে সাহায্য করবে।
- ইউডেমি (Udemy) ঃ ইউডেমি একটি অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য বিভিন্ন স্কেল যেমন এসইও, কন্টেন্ট রাইটিং, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয় এখানে শিখা যায়।
আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো তার উপায়
- স্কিলশেয়ার (Skillshare) ঃ এ প্লাটফর্মে ক্রিয়েটিভি স্কিল যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফটোগ্রাফি, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি শেখার সুযোগ রয়েছে।
- 10 Minute School: এটি একটি বাংলাদেশ অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে ফ্রান্সিংসহ বিভিন্ন স্কেল শেখানো যায় এখানে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করতে পারবেন।
- Toptal:Toptal হল ফ্রিল্যান্সার ফাইনান্স বিশেষজ্ঞ প্রডাক্ট ম্যানেজার ইত্যাদি জন্য একটা নেটওয়ার্কিং। আপনি খুব সহজে স্বাস্থ্যসেবা, ই-কমার্স বা অনেক কিছু থেকে চাকরি খুজে পেতে পারেন। আপনাকে চাকরির জন্য হন্য হয়ে ঘুরতে হবে না। টোপাল এর মাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ে আপনাকে যাচাই করা হবে। বিভিন্ন কোম্পানি টোপালের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংদের নিয়োগ করে থাকে।এখানে লিংক দেওয়া থাকলো।
- Upwork: Upwork ফ্রিল্যান্সিং চাকরি পাওয়ার একটি পোর্টাল। আপনি ক্লায়েন্টদের সীমাহীন প্রস্তাব পাঠাতে নতুনদের জন্য এই ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট টি ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি নতুন কারেন্টের সাথে সম্পর্ক শুরু করেন আপনাকে ২০% ফ্রি চার্জ করা হবে এটা একটি নতুনদের জন্য খুব বন্ধুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট। এখানে ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া হল।
- Freelancer: ফ্রিল্যান্সার ডট কম ওয়েবসাইটে কাজ হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি পণ্য বিক্রয় এবং মানসম্পদ, বিষয়বস্তু লেখা, একাউন্টিং অনুবাদ ইত্যাদির মত কাজ। আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং নিবন্ধন লগইন করলে ফি দেবার আগে আপনি চারটি বিনামূল্যে আবেদন পেতে পারেন। আপনি যদি এই সাইটে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে বিড করতে হবে এবং ক্লায়েন্টদের কাছে প্রস্তাব দিতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটের উপদেষ্টাদের একটি ডেডিকেটেড দল রয়েছে যা আপনাকে দ্রুত নিয়োগ পেতে সাহায্য করবে। লিংক দেওয়া হল।
- Fiverr: ফাইবার হল একটি ওয়েবসাইট যা আপনাকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ পেতে সাহায্য করবে। এখানে আপনি কাজ করতে পারবেন যেমন ডিজিটাল মার্কেটিং, লেখালেখি, অনুবাদ, অডিও এডিটিং এবং ভিডিও এডিটিং এ বিষয়ে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- Guru: এটি নতুনদের জন্য সেরা ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোর মধ্যে একটি। এখানে নিয়োগকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করার একটি সহজ উপায় দেয়। শুরুতে ৫% থেকে ৯% পেমেন্ট কেটে নে যা আপনি সফলভাবে সম্পন্ন করার পরে পেয়েছেন। এখানে লিঙ্ক দেওয়া হল
- Servicescape: এটি একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম যা সম্পাদক, অনুবাদক, ট্রাফিক ডিজাইন বা লেখক ইত্যাদি কাজে অফার করে থাকে। এই ওয়েবসাইটে কাজ করে ক্লায়েন্টদের সাথে খুব সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন। লিংক
- PeoplePerHour: PeoplePerHour হলো একটি যুক্তরাজ্যে ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম যা ফ্রিল্যান্সিং কাজে আগ্রহী ব্যক্তিদের ব্যবসার অ্যাক্সেস দিয়ে থাকে। এটি একটি সেরা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট যা ওই ব্যক্তিদের ক্লায়েন্টদের সাথে সংযোগ রাখতে সাহায্য করে। এখানে একটি কাজের সুবিধা হচ্ছে আপনার প্রতিভা প্রকাশ করতে দে এবং সে অনুযায়ী আপনাকে ঘন্টা দ্বারা নিয়োগ করবে। লিংক
- Hubstaff Talent: এই ওয়েবসাইটে কাজ করতে হলে আপনার ব্যক্তিগত বিবরণ দক্ষতা এবং আপনার উপলব্ধিটা পূরণ করতে পারেন এবং যখন কেউ আপনার সেবা পছন্দ করবে তখন আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হবে। এই ওয়েবসাইটে আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে যেমন নেটওয়ার্কিং, ব্যবস্থাপক, হেল্প ডেক্সট ম্যানেজার, একাউন্টের অ্যাক্টিভিটি ইত্যাদি বিষয়ে আপনি চাকরি খুজে পেতে পারেন। এখানে ক্লিক করুন।
- Cloudpeeps: এ ওয়েবসাইটে আপনি কপিরাইট সোশ্যাল মিডিয়া ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি সম্পর্কিত কাজের উপর প্রকাশ করতে পারেন। এখানে অনেক মানুষ আছে যারা ফ্রিল্যান্সিং পেশাদার হিসেবে কাজ করছে।
- Truelancer: Truelancer এ ওয়েবসাইটে কাজ করে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং চাকরি বাড়ির কাজ, ভার্চুয়াল সহায়তা চাকরি, মার্কেটিং প্রশিক্ষণ এবং আরো অনেক কিছু অফার করে। আপনি এই ওয়েবসাইটে কাজ করে খুব সহজে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আপনি এটি একটি ব্রাউজার, অ্যান্ডরোড এবং আইফোন ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করতে পারেন লিংক
ফ্রিল্যান্সিং কি
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি মুক্ত পেশা। একজন ব্যক্তি তার স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। একজন ব্যক্তি একটা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাজ না করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে খন্ডকালীন কাজ করতে পারে আর সেটাই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে স্বাধীনভাবে কাজ করার জায়গা। যেখানে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন।এখানে আপনি আপনার বস এবং আপনি আপনার কর্মচারী। আপনার ইচ্ছা হলে আপনি কাজ করবেন আপনার ইচ্ছা না হলে কাজ করবেন না এক কথায় বলতে হলে এটা একটু মুক্ত পেশা।
এখানে আপনার বাধা দেওয়ার কেউ নেই আপনি যেখানে খুশি যেভাবে অবস্থায় কাজ করতে পারবেন।ফ্রিল্যান্সিং এর অধিকাংশ কাজ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পূর্ণ করা হয়। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ একটা জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে আয়ের। এখানে একজন ব্যক্তি তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের চুক্তি ভিক্তি কাজ করে দিতে পারে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারে যেমন গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, কনটেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, অডিও এডিটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং ফেসবুক মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং এবং মোবাইল মার্কেটিং ইত্যাদি বিষয়ে।
বর্তমান যুগে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি সেরা অর্থ
উপার্জনের উৎস। আপনার যদি কোন একটা কাজের দক্ষতা বা স্কেল থাকে তাহলে আপনি খুব
সহজে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গুলোতে কাজ করে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে
পারেন। যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান এবং নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন
করতে চান তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং একটি ভালো আয়ের উৎস হতে পারে।
কেন ফ্রিল্যান্সিং গুরুত্বপূর্ণ
ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি পেশা। এর প্রধান কারণ হলো অধিক উপার্জনের সুযোগ নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাধীনভাবে কাজ করা একটি মাধ্যম। এখানে আপনি বাধা ছাড়াই নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন। এখানে সব থেকে একটু সুবিধা হচ্ছে আপনি কাজ করলে টাকা। আপনি বিনা দ্বিধা দ্বন্দ্ব ছাড়া আপনার পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নিতে পারবেন। এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন। চলুন নিচের কিছু ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানি কেন ফ্রিল্যান্সিং কাজটা গুরুত্বপূর্ণ।
- ফ্রিল্যান্সিংয়ের এর মাধ্যমে ঘরে বসে কাজ করে অর্থ উপার্জনের সুযোগ আছে।
- এ কাজে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ থাকে।
- ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজের কাজে নিজে পরিচালনা করার সুযোগ থাকে।
- ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করার সুযোগ আছে।
- এ কাজের জন্য সময় এবং স্থান নির্বাচনে স্বাধীনতা পাওয়া যায় নিজের সুবিধা মতন কাজ করতে পারা যায়।
- ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক কাজ করার সুযোগ থাকে যা আয়ের একাধিক রাস্তা পাওয়া যায়।
- এ কাজের জন্য কোন বস বা উদ্যোক্তা কর্মকতার অধীনে কাজ করতে হয় না এখানে নিজের কাজ নিজে পরিচালনা করতে পারা যায়।
ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি
ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেক উজ্জ্বল। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) অটো মেশিন প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা আরো বাড়বে এবং নতুন নতুন প্লাটফর্ম তৈরি হবে। এতে করে নতুন কাজ তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।ডিজিটাল মাধ্যমে এবং প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সারদের চাহিদা বাড়ছে। এবং এটি একটি লাভজনক পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।দিন দিন এর চাহিদা বাড়বে যেমন এ আই প্রোগ্রামিং, ডেটা সায়েন্স, সাইবার নিরাপত্তা, ইত্যাদি।আপনি যদি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান তাহলে নিজের দক্ষতা ক্রমাগত উন্নত করা করুন এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করা। সঠিক পরিকল্পনা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং এর একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।
ফ্রিল্যান্সিং এর সেক্টর কয়টি
উপরে ফ্রিল্যান্সিং শেখার উপায়, ১৪টি ওয়েবসাইট, ফ্রিল্যান্সিং এর
গুরুত্বপূর্ণ এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ধাপসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। এখন আপনি ভাবছেন
আমি তো কাজ শিখব তাহলে কাজের সেক্টর গুলো কি কি। এবং আপনি কোন কাজটা করবেন ভাবতে
পারছেন না। বা কি কি কাজ আছে সেটাও বুঝতে পারছেন না বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন
রকমের ভাবে লিখা আছে। আসুন আপনাদের সুবিধার্থে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ গুলো
ওপর ভিত্তি করে কাজের কয়েকটি সেক্টর আছে।সেগুলো আমাদের ফ্রিল্যান্সিং কাজের
সময় অনেক উপকারে আসবে। নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল।
- গ্রাফিক্স ডিজাইন
- ডিজিটাল মার্কেটিং
- ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
- অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
- ভিডিও এডিটিং ও অ্যানিমেশন
- লেখালেখি ও কনটেন্ট ক্রিয়েকশন
- ডাটা এন্ট্রি ও ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট
- ট্রান্সলেশন ও ট্রান্সক্রিপশন
- সাইবার সিকিউরিটি
- ব্লকচেন ও ক্রিপ্টো রিয়েলিটি কাজ
সরকারিভাবে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স
আপনি যদি ভাবেন আমার তো শিখতে টাকা নাই। তাহলে আপনি সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েও
শিখতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিং। সরকারি ভাবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ নেবার সুযোগ
রয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে
বিনামূল্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এ প্রশিক্ষণে ভর্তি হতে কোন ফ্রি
লাগবে না এবং প্রশিক্ষণ প্রার্থীরা দৈনিক ২০০ টাকা ও বিনামূল্যে খাবারের পাবেন।
আগ্রহী প্রার্থনা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ মেয়েদের জন্য লাভজনক ব্যবসার ২১টি সেরা আইডিয়া
যুব উন্নয়নের অধিদপ্তর কর্তৃক শিক্ষিত কর্ম প্রত্যাশিত যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। যেখানে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ প্রশিক্ষণ তিন মাস ব্যাপী হয়ে থাকে এবং এদের ৬০০ ঘন্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।আবেদন করার জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট (dyd.gov.bd) অথবা সং সৃষ্ট জেলার ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তি দেখতে পারেন যেখানে আবেদনের শেষ তারিখ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে উল্লেখ করা থাকে।
FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং এর জনক কে?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিংয়ের কোন নির্দিষ্ট জনক নেই। এটি ইতিহাস ও
প্রযুক্তির মিলিত বিকাশ। ফ্রিল্যান্সিং শব্দটি মধ্যযুগে স্বাধীন যোদ্ধাদের
জন্য ব্যবহৃত হত। পরে আধুনিক কাজের ধারা হিসেবে রূপ নেয়।
প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং কেন করব?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি স্বাধীন পেশা যেখানে নিজের ইচ্ছামতন কাজ করা
যায়। এমনকি ঘরে বসে মেধা কাজে লাগে কাজের স্কেল দিয়ে নিজের পছন্দ মতন কাজ করার
স্বাধীনতা রয়েছে। যার মাধ্যমে আয়ের সীমাহীন সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং এর বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
উত্তরঃ বর্তমানে বিশ্বের মোট ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যার দিক থেকে
বাংলাদেশের বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ
ফ্রিল্যান্সরের সংখ্যার ভিত্তি থেকে বাংলাদেশের বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী
দেশ। তবে কিছু তবে কিছু আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে Freelancer hiring country
হিসাবে ২৯ তম স্থানে দেখা গেছে।
প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যার দিক থেকে কোন মার্কেটপ্লেসটি সবচেয়ে
বড়?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস হলো
আপওয়ার্ক। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। এটি লাখ লাখ
ফ্রিল্যান্সার ও ক্লায়েন্টকে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ প্রদান
করে
শেষ কথা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট ও শেখার সহজ উপায়।
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন এটা নিয়ে ভাবছেন। চিন্তা নাই উপরে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ১৪টি সেরা ওয়েবসাইট এবং শেখার সহজ নিয়ম গুলো বিস্তারিত আলোচনা করেছি। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে কাজ করলে আপনি সফলতা পাবেন। আপনি যদি ভালভাবে কাজে ধরন গুলো বা ক্লায়েন্ট কি চায় সেটা যদি বুঝতে পারেন তাহলেও আপনি জীবনে সাকসেস লাভ করতে পারবেন। তবে আপনি ধৈর্যের সাথে পরিশ্রম দিয়ে কাজ করলে ইনশাল্লাহ সফলতা আসবে।এই আর্টিকেলটি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়ুন তাহলে বুঝতে পারবেন কিভাবে অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে কাজ করে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়। যদি আর্টিকেলটা পড়ে আপনার উপকার হয় তাহলে আপনার মতামতটি কমেন্ট বক্সে জানান। নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন ভিজিট করুন ধন্যবাদ।

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url