বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা ও অপকারিতা

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা গুলো জানব। কাঁঠাল হচ্ছে একটি জাতীয় ফল। কিন্তু এ কাঁঠালের যে ভিন্ন জাত রয়েছে সে সম্পর্কে জানতাম না। গ্রামের বাড়িতে বা বাজারে আমরা সবাই কাঁঠাল দেখেছি। কিন্তু কিছুদিন আগে প্রথমবার যখন বারোমাসি পিংক কাঁঠাল নামটি শুনি তখন আমার বেশি কৌতূহল হয়েছিল।

বারোমাসি-পিংক-কাঁঠাল-খাওয়ার-১২টি-উপকারিতা

সাধারণত কাঁঠালের মত কোন এর নামের মধ্যে বারোমাসি এবং পিংক শব্দটি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে আসলে এ কাঁঠালটা এত আলাদা কেন। আমি নিজেও শুরুতে এ ফল সম্পর্কে খুব বেশি জানতাম না। তাই বিভিন্ন কৃষি তথ্য অভিজ্ঞতা চাষীদের মতামত এবং বাস্তব ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা জানার চেষ্টা করি। তখন বুঝতে পারি এটা শুধু নতুন নামের ফল নয় বরং আধুনিক কৃষির একটি আকর্ষণীয় সংযোযন।

পেজ সূচিপত্রঃ বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা ও অপকারিতা

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা সম্পর্কে

বাংলাদেশে কাঁঠাল পরিচিত জাতীয় ফল হিসেবে বহুদিন ধরে জনপ্রিয়। তবে সাম্প্রাতিক সময়ে একটু নতুন জাতের কাঁঠাল মানুষের নজর পেয়েছে যার নাম বারোমাসি পিংক কাঁঠাল। সাধারণত কাঁঠালের তুলনায় এটি দেখতে আকর্ষণীয় স্বাদে মিষ্টি এবং প্রায় সারা বছর ফল দেই বলে কৃষক ও ফলপ্রেমীদের জন্য দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন অনেকে জানতে চাই এই বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়া কি সত্যি স্বাস্থ্যকর। এর উপকারিতা যেমন রয়েছে তেমন কিছু সতর্কতা জানা জরুরী। এখন বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা, কাঁঠালের পুষ্টিগুণ ও অপকারিতা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো নিচে।

  • ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যার কারনে সর্দি কাশি,ফ্লু এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার উপকারিতা হল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • হজম উন্নতি করে।পিংক কাঁঠাল রয়েছে খাদ্যআঁশ বা ফাইবার যার কারণে ভেতরের সমস্যা গুলো এবং বদ হজমের বোতল সমস্যা প্রতিরোধ করে।
  • ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ ত্বকের ক্ষতি সাধক ফ্রী রেডিক্যাল কমায়।
  • শক্তি ও এনার্জি যোগায় শরীরের। প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেট এবং শর্করার থাকার কারণে সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে এবং শরীরে এনার্জি সরবরাহ করে।
  • হৃদস্বাস্থ্য রক্ষা করে।পিংক কাঁঠাল পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে এবং হার্টের ঝুঁকি কমায়।
  • ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফাইবার এবং কম ক্যালরি থাকার কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে।
  • পেটের ফাঁপা কমায়। খাদ্যআঁশ ও প্রাকৃতিক শর্করা কারণে এটি ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলোকে স্বাভাবিক রাখে।
  • ভিটামিন সি এবং কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।
  • ভিটামিন এ থাকার কারণে চোখের ক্ষতি কমাতে ও রাতের অন্ধকারে চোখ মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।
  • ম্যাগনেসিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল থাকার কারণে হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • এন্ট্রিঅক্সিডের কারণে শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে কিছুটা সাহায্য করে।
  • খনিজ উপাদান বা আয়রন থাকার কারণে দেহের রক্তস্বল্পতা দূর করে।

অতিরিক্ত বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার অপকারিতা

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা গুলো জানলাম। এখন জানবো এটা অতিরিক্ত খেলে স্বাস্থ্যের কি ক্ষতি হয়। কারণ অতিরিক্ত কোন কিছু খাওয়া ভালো না যা আমাদের কাছ থেকে ক্ষতির দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। যদিও বারোমাসি পিংক কাঁঠাল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারে তারপরও সবকিছু পড়ে মেতে খাওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত খাওয়া স্বাভাবিক উপকারিতা নষ্ট করে দেয় এবং নতুন সমস্যা সৃষ্টি করে। আসুন নিচে জানি।

আরো পড়ুনঃ কাঁচা পেঁপে খাওয়ার ৯টি উপকারিতা এবং অপকারিতা

  • অতিরিক্ত খেলে পেট ফাঁপা ও গ্যাস সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • বারোমাসি পিংক কাঁঠালে প্রাকৃতিক শর্করার মাত্রা বেশি থাকার কারণে রক্তচাপ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • হজম জনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়।
  • যদি কারো শরীরে ও ফলের সঙ্গে পরিচিত না হয়ে অতিরিক্ত খেলে এলার্জি লেখা দিতে পারে। যেমন চুলকানি ফুসকুড়ি ও খসখকানি।
  • বারোমাসি পিংক কাঁঠাল মিষ্টি জাতীয় খাবার তাই সঠিক পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন না হলে ওজন বেড়ে যেতে পারে।
  • রাতে বেশি খাওয়ায় পেট ভার বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
  • কিডনির সমস্যার ভোগা ব্যক্তিদের অতিরিক্ত খাওয়া এড়ানো উচিত।
  • শিশু ও বয়স্কদের জন্য অতিরিক্ত পরিমাণ খাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
  • ডায়াবেটিস রোগীদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল পরিচিতি

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল হলো কাঁঠালের একটি উন্নত জাত। বিশেষভাবে সুগন্ধি, মিষ্টি এবং আকর্ষণীয় গোলাপী রঙের জন্য পরিচিতি। এটি মূলত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের চাষ করা হয়। বিশেষ করে ভিয়েতনামে, বাংলাদেশ ভারত এবং থাইল্যান্ডে বেশি পাওয়া যায়। এ জাতের কাঁঠাল বারোমাসি নামে পরিচিতি। কারণ এটি প্রায় সারা বছর ফল দিয়ে সক্ষম এটি একবার ফল খাওয়া যায় না বরং নিয়মিত ফলন হয়।

গাছটি দেখতে সাধারণত কাঁঠালের মতই বড় এবং লতানো ধরনের। এর লাল হালকা সবুজ পাতা এবং মজবুত ডালপালা থাকে। গাছের উচ্চতা সাধারণত ১৫-২০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। ফলগুলো আকর্ষণীয় ভাবে বড় গোলাকার থেকে সামান্য দীর্ঘ আকৃতি হয়। প্রতিটি কাঁঠালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি এবং ব্যাস প্রায় ৫-৬ ইঞ্চি। একটি পূর্ণবয়স্ক কাঠালের ওজন ২-৪ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। যদিও কিছু বড় জাতের ক্ষেত্রে এটি পাঁচ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

ফলটি কাঁচা অবস্থায় সবুজ বা হালকা গোলাপি রং হয়। কিন্তু পাকা হলে মিষ্টি পিংক বা হালকা কমলা রং ধারণ করে। কাঁঠালের ভেতরের কোয়া নরম মিষ্টি এবং সুগন্ধযুক্ত। এই ফলকে অনেক সময় বিশেষ অনুষ্ঠানে বা বিয়ে উৎসব ও অতিথি আপ্যায়নের জন্য ব্যবহার করা হয়। কারণ এর আকর্ষণীয় রং এবং সুস্বাদু স্বাদে মেহমানদের দৃষ্টি আকর্ষণীয় করে।

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল পুষ্টিগুণ ও উপাদান

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল শুধু সুস্বাদু নয় এতে রয়েছে প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিচে প্রায় এক কাঁঠালের ৩০০-৪০০ গ্রাম উপাদান অনুযায়ী মান দেওয়া হল।

উপদান প্রায় এক কাঁঠালের পরিমান উপকার
ক্যালারি ৯০-১২০ ক্যালারি শরীরের শক্তি বাড়ায়
ভিটামিন C ২৫-৩০ মিলিগ্রাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ভিটামিন A ৭০০-৮০০ UI চোখ ও ত্বক ভালো রাখে
ফাইবার ৩-৫ গ্রাম হজম শক্তি উন্নতি করে
পটাশিয়াম ৩৫০-৪০০ মিলিগ্রাম রক্তচাপ কমায়
ম্যাগনেশিয়াম ২০-২৫ মিলিগ্রাম হাড় ও পেশি ভালো রাখে
ক্যালসিয়াম ২০-৩০ মিলিগ্রাম দাঁত ও মাড়ি ভালো রাখে
লোহ ০.৫-১ মিলিগ্রাম রক্তস্বল্পতা দূর করে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিভিন্ন ফ্ল্যাভনয়েড কোষের ক্ষতি কমায়
প্রাকৃতিক শর্করা ২০-২৫ গ্রাম শরীরের দ্রুত শক্তি যোগায়

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার সঠিক নিয়ম

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে সবকিছুই পরিমাণমতো ভাবে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। সঠিক নিয়মে খেলে উপকারিতা সর্বদিক হয় এবং কোন ধরনের অপকারিতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আজকে নিচে পরিমাণ গুলো সঠিকভাবে জেনে নিন।

আরো পড়ুনঃ পেয়ারা খাওয়ার ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • প্রতিদিন খাবার খাওয়ার পরিমাণঃ প্রতিদিন প্রায় ৪-৬ কোয়া (প্রায় ১০০-১৫০ গ্রাম) খাওয়ায় যথেষ্ট।একবার পুরো কাঁঠাল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন কারণ এতে হজমের সমস্যা ও রক্ত চাপ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।
  • খাওয়ার সঠিক সময়ঃ সকালে বা দুপুরে সবচেয়ে খাওয়া ভালো কারণ এতে শরীরের শক্তি পায় এবং হজম সহজ হয়। খালি পেটে একবারে বড় পরিমাণে খাওয়া ভালো নয়। রাতের খাবারের পর বড় অংশে খেলে পেট ভারী লাগতে পারে এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
  • কাঁঠাল খাওয়ার ধরনঃ খাওয়ার আগে ফলের কোয়া থেকে গাছের রস ও আঁশ ভালোভাবে দূর করতে হবে যাতে হজমে সমস্যা না হয়। শিশু বা বয়স্কদের জন্য কাঁঠালের ছোট টুকরা করে দেওয়া ভালো।
  • ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগীদের সতর্কতাঃ ডায়াবেটিস রোগীদের পরিমাণ এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। কিডনির সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরা একবারে বেশি কাঁঠাল খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভালো।
  • অন্যান্য সতর্কতাঃ যাদের ত্বকে এলার্জি চুলকানি ফুসকুড়ি বা গ্যাসের মত সমস্যা আছে তারা একবারে অনেকগুলো না খেয়ে অল্প পরিমাণে খেয়ে পরীক্ষা করা ভালো।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ কাঁঠাল খাওয়ার পরে কি কি খাওয়া উচিত নয়?

উত্তরঃ কাঁঠাল খাওয়ার পরে সাধারণত দুধ বা দুধ যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি হজমের সমস্যা ও গ্যাস বৃদ্ধি করতে পারে। এছাড়া ঠান্ডা পানীয় বা বরফ যুক্ত খাবার এড়ানো ভালো কারণ এতে পেটের অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হতে পারে।

প্রশ্নঃ কাঁঠালকে গরিবের খাবার বলা হয় কেন?

উত্তরঃ কাঁঠালকে গরিবের খাবার বলা হয় কারণ এটি প্রচুর উৎপাদন হয় সহজে পাওয়া যায় এবং দামে সস্তা। তবে আধুনিক সময়ে বিশেষ জাতের কাঁঠাল শহরে প্রিমিয়াম ফল হিসেবে বিক্রি হয় তাই এটি এখন সব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর ও মূল্যবান ফল।

প্রশ্নঃবারোমাসি পিংক কাঁঠাল কি প্রতিদিন খাওয়া যাবে?

উত্তরঃ হ্যাঁ,বারোমাসি পিংক কাঁঠাল প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে তবে পরিমাণ মতো। যেমন ৪-৬ কোয়া বা প্রায় ১০০-১৫০ গ্রাম। এ পরিমান মত খেলে স্বাস্থ্য জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার।

প্রশ্নঃ বারোমাসি পিংক কাঁঠাল সাধারণ কাঁঠালের থেকে কিভাবে আলাদা?

উত্তরঃবারোমাসি পিংক কাঁঠাল সাধারণ কাঁঠালের থেকে আলাদা কারণ এটি ১২মাসি অর্থাৎ প্রায় সারা বছর ফল দেয়। এর কোয়া হালকা গোলাপী এবং পিংক রঙের।স্বাদে সাধারণ কাঁঠালের চেয়েও মিষ্টি ও নরম ফলের আকার ও বড় এবং আকর্ষণীয় বর্তমানে বাজারে চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি।

প্রশ্নঃবারোমাসি পিংক কাঁঠাল কিভাবে সংরক্ষণ করা যায়?

উত্তরঃ বারোমাসি পিংক কাঁঠালকে কাঁচা অবস্থায় শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে রাখলে ৫-৭ দিন তাজা থাকে। পাকা হলে ফ্রিজে এয়ার টাইট কন্টেইনারে রেখে ২-৩ সপ্তাহ সংরক্ষণ করা যায়।

লেখকের মন্তব্য বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা ও অপকারিতা

বারোমাসি পিংক কাঁঠাল বিশেষত্ব হল এটি বছরের নির্দিষ্ট মৌসুমী সীমাবদ্ধ নয়। এ ফলটা সারা বছরই পাওয়া যায়। এই ফল সম্পর্কে জানার সময় আমি একটা বিষয় উপলব্ধি করেছি আমরা অনেক সময় নতুন ফল বা গাছ সম্পর্কে না জেনে মতামত দিয়ে ফেলি। কিন্তু একটু খোঁজ নিলে দেখা যায় প্রতিটি ফলের আলাদা পুষ্টিগুণ উপকারিতা এবং কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই এ লেখায় আমি বিশেষজ্ঞ দাবি করছি না বরণ একজন সাধারন মানুষের মতো সহজ ভাবে তথ্যগুলো সাজানোর চেষ্টা করেছি। যাতে নতুন কেউ করলে সহজে বুঝতে পারে। আমার উদ্দেশ্যে একটা যে কেউ যদি বারোমাসি পিংক কাঁঠাল খাওয়ার ১২টি উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাই তিনি যেন এক জাগাতে প্রয়োজনও ধারণা পেয়ে যান এবং সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ধন্যবাদ


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url