সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং পুষ্টিগুন

সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার উপকারিতা গুলো জানব।সেচি বা হেচি শাক গ্রাম বাংলা আনাচে কানাচে দেখা যায়। এক সময় গ্রামের মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠে মাঠের দিকে যেতেন। তাদের হাতে ঝুপড়ি বা বাসের ঝুড়ি আর তাজা সবুজ শাকের সংগ্রহ করত। শাকগুলো ছিল শুধু খাবার নয় এগুলো ছিল তাদের শক্তির উৎস।

সেচি-বা-হেচি-শাক-খাওয়ার-উপকারিতা

আধুনিক শহরে মানুষ হয়তো সবুজ সার খাওয়ার সময় কম পাচ্ছে কিন্তু সেচি বা হেচি শাক আজও সুস্থ থাকার এক প্রাকৃতিক উপায়। কারণ এর যে পুষ্টিগুণ গুলো রয়েছে তা কয়জন মানুষ বা জানে। কে আর্টিকেলে আমরা জানতে পারবোসেচি বা হেচি শাক অজানা পুষ্টিগণ, শরীরকে শক্তিশালী করার গল্প এবং কিভাবে এটি বর্তমান জীবনে ব্যস্ততার মধ্যে ব্যবহার করা যায়।

পেজ সূচিপত্রঃসেচি বা হেচি শাক খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে

সেচি বা হেচি শাক এটা একটি প্রাকৃতিক শাক।এই সেচি বা হেচি শাক অবহেলায় পড়ে থাকে মাঠে। এর পাশ দিয়ে হাজারো মানুষ হেটে যায় কিন্তু এর যে পুষ্টিগুণগুলো রয়েছে সে সম্পর্কে জানে না। যদি মানুষ জানত তাহলে এর আজকে এতটা অবহেলা করত না। তবে আমরা বর্তমানে যেটা বুঝতে পারছি প্রাকৃতিক যে শাক গুলো রয়েছে তা আমাদের মানব দেহের জন্য প্রচুর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।

আগের যারা মানুষ রয়েছে তারা ডাক্তার ছাড়াই সুস্থ থাকতেন। তারা মেডিসিন সম্পর্কে জানতেন না। কিন্তু অভিজ্ঞতা বুঝতেন। শাক খেলে শরীর সুস্থ থাকে, শিশুদের শক্তি বৃদ্ধি পায় আর ও চোখ ভালো থাকে। তারা বিশ্বাস করত প্রাকৃতিক আমাদের চিকিৎসক।

আরো পড়ুনঃ দুধিয়া গাছ খাওয়ার ২০টি উপকারিতা

বর্তমানে মানুষ অনেক ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকছে শরীরের জন্য স্বাভাবিক খাদ্য কমাচ্ছে ফাস্টফুড বেশি খাচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক দিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গ্রামের অভিজ্ঞতার সাথে আজকের বাস্তবতার মিল বন্ধন ঘটিয়ে মানুষ ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করেছে প্রকৃতি দিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব শুধু চেষ্টা আর সচেতনতা প্রয়োজন। সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার উপকারিতা গুলো নিচে দেওয়া হল।

  • রক্তস্বল্পতা ও হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করেঃ রক্তস্বল্পতা কমাতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে সেচি বা হেচি শাকের রস ২ টেবিল চামচ ২০-২৫ মিলিমিটার এর সাথে মধু বা সামান্য চিনি মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে থাকা আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। কয়েকদিন ৩-৪ সপ্তাহ নিয়মিত খেলে শরীরে দূর্গত কমে এবং রক্তস্বল্পতা সমস্যা ধীরে ধীরে উন্নতি হয়।
  • চর্মরোগ নিরাময় করেঃ চর্মরোগ, চুলকানি বা ফুসকুড়ি যা গরম কালে ত্বকের সমস্যা করে।সেচি বা হেচি শাকের পাতা বেটে রস তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগালে উপকার পাবেন। চাইলে প্রতিদিন সকালে ৩-৪সেচি বা হেচি শাকের রস খেতে পারেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক উপাদান চর্মরোগ নিরাময়ের জন্য অনেক উপকারী।
  • বাতের ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমায়ঃ বাতের ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমাতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে সেচি বা হেচি শাকের রস ২-৩ চামচ হালকা গরম করে খাওয়ালে উপকারী। এতে থাকা প্রদান নাশক ওখানে যে উপাদান শরীরের ব্যথা জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
  • জ্বর ও রুচি বৃদ্ধি করেঃ জ্বর ও অরুচি থাকলে সেচি বা হেচি শাকের রস সকালে খালি পেটে ২-৩ চামচ হালকা গরম করে খাওয়া ভালো। এতে থাকা ভিটামিন খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে শক্তি দেয় এবং খাবারের প্রতি রুচি বাড়ায়।
  • হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ হজম ভালো রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে প্রতিদিন সকালে ২-৩ চামচ সেচি বা হেচি শাকের রস খাওয়া উপকারী। এতে থাকা ফাইবার ও প্রাকৃতিক এনজাইম পাচন প্রক্রিয়া সহজ করে এবং পেটের গ্যাস ও খারাপ হজম কমায়।
  • পেটের সমস্যা দূর করেঃ পেটের সমস্যা দূর করতে এই শাক খাওয়া অনেক উপকারী। প্রতিদিন সকালে ২-৩ চামচ সেচি বা হেচি শাকের রস খাওয়ালে পেটের সমস্যা দ্রুত দূর হবে। প্রাকৃতিক অক্সিডেন্ট ও হজম সহজকারী উপাদান পেটে সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
  • হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট দূর করেঃ হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট কমাতে সেচি বা হেচি শাকের রস সকালে খালি পেটে ২ চা চামচ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এতে থাকা  শ্বাসনালী প্রশমক উপাদান শ্বাস-প্রশাস সহজ করে।
  • ত্বকের যত্ন নেয়ঃ ত্বক সুস্থ রাখতে তাজা সেচি বা হেচি পাতা বেটে রস বের করে সকালে বা সন্ধ্যায় ব্যবহার করলে চুলকানি ও ফুসকড়ি কমে। এতে এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নরম ও সতেজ রাখে।
  • হাড় শক্তিশালী করেঃ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সেচি বা হেচি শাকের রস বা সেদ্ধ শাকের ভাতের সঙ্গে খেলে ক্যালসিয়াম সরবরাহ হয় যা হার শক্ত রাখে।
  • স্নায়ুরোগ ও ব্যাথানাশকঃ সেচি বা হেচি শাক স্নায়ু শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং পেশির যন্ত্রণা কমায়. হালকা সিদ্ধ বা রস বের করে খাবার আগে খেলে স্নায়ু ও পেসি সুস্থ থাকে।
  • পিত্ত নিয়ন্ত্রণঃ শরীরে অতিরিক্ত পিত্ত হলে সেচি বা হেচি শাকের রস  ৩০ মিলিমিটার এর সাথে গরু বা ছাগলের দুধ ৫০ মিলিমিটার গরম ও ঠান্ডা অবস্থায় খাওয়া যায়। দুইটি একসাথে মিশিয়ে নির্মিত খেলে শরীরের পিত্তের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।
  • যকৃতে দুর্বল হলেঃ লিভার দুর্বল হলে শরীরের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এর জন্য সেচি বা হেচি শাক ১০০ গ্রাম ছোট করে কেটে ১৫০ মিলিমিটার পানি এবং পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে পানি এক কাপ হলে নামিয়ে ঠান্ডা হলে ভাতের আগে ৪-৬ ফোটা সরিষার তেল মিশিয়ে খাওয়া ভালো।
  • বসন্ত রোগের আক্রমণ কমানোঃ রোগের শুরুতে শরীরের গুটি দেখা দিলে শ্বেত চন্দনের গুরু ১.৫-২ গ্রাম সেচি বা হেচি শাকের রস আধা কাপ মিশিয়ে খাওয়া।
  • পাচরা ও চুলকানি প্রতিরোধঃ শীত ও বর্ষাকালে পাচরা ও চুলকানির অস্বস্তিকর হয়।সেচি বা হেচি শাকের ৩-৪ চামচ রস প্রতিদিন সকালে খাওয়া ভালো।
  • কোমরের ব্যথা উপশমঃ কোমরের নিচে ব্যথা পায়ের পেশিতে রাতের দিকে ব্যথা বা টান থাকলে সেচি বা হেচি শাকের রস খালি পেটে ৩ চা চামচ হালকা গরম করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত সেচি বা হেচি শাক খেলে স্বাস্থ্যের কি অপকারিতা হয়

অনেক সময় মানুষ মনে করে এটা তো প্রাকৃতিক ভেষজ শাক। বেশি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। কিন্তু এটা তো তার সঠিক না কারণ অতিরিক্ত খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে। তাই পরিমাণ ও সঠিক পদ্ধতিতে খাওয়া উচিত। কারণ অতিরক্ত খেলে থাকতে সমস্যা হয়। চলুন সমস্যা গুলো জানি।

  • অতিরক্ত খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে
  • অপরিষ্কার শাক খেলে জীবাণু সংখ্যা স্বাস্থ্যের ভিতর বাড়তে পারে
  • যাদের এলার্জি আছে তাদের অবশ্যই সতর্কতার সাথে বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত
  • কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঠিক নিয়ম এবং পরিমাণ মতন খাওয়া উচিত
  • গর্ভবতী নারীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন

সেচি বা হেচি শাক এর পরিচিতি

সেচি বা হেচি শাক বৈজ্ঞানিক নাম Alternanthere sessilis। এটি একটি পাতাযুক্ত সবুজ রঙে এক ধরনের লতানো উদ্ভিদ। পাতাগুলো চকচকে এবং কোমল যা স্পর্শে মসৃণ লাগে। ছোট ছোট ফুল হয় লাল বা সাদা রঙ্গের যা সাধারণত পাতার মাঝে লুকিয়ে থাকে। গ্রামের মানুষ বৈজ্ঞানিক নাম না জানলেও তারা জানতো মাটির পাশে এই ছোট্ট সব শরীরের জন্য খুব ভালো।

সেচি বা হেচি শাক বাংলাদেশ, ভারত শ্রীলংকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আর্দ্র ও তাপমাত্রার সমৃদ্ধ অঞ্চলে জন্মায়। এটি জলাভূমি পুকুর পাড় নদীর ধারে বা জমির নরম মাটিতে সহজে জন্মায়। বিশেষ করে যে কোন জায়গায় পানি জমে থাকলে সেখানে শাক স্বাভাবিকভাবে জন্মাতে পারে। বর্ষার পরে জমির ধারে এবং পুকুর পাড়ে সবচেয়ে বেশি জন্মায় তাই তারা বলতে বর্ষার পরে সেচি বা হেচি শাক তোলা শুরু করতে হবে।

বর্ষা জুন থেকে সেপ্টেম্বর এ শাক বেশি দেখা যায়। বর্ষা মৌসুমে তাজা শাক তুলে স্বাস্থ্যের উপকার বেশি পাওয়া যায়।সেচি বা হেচি শাক লতা বা creeping plant ধরনের উদ্ভিদ। এটি মাটিতে চ্যাপ্টা বা লম্বা দাগ ধরে ছড়িয়ে পড়ে। ছোট ছোট কাণ্ড থেকে নতুন শিকড় জন্মায়। এটা সহজে ছাদে বারান্দা বা পাত্রে চাষ করা সম্ভব। এটি ভর্তা ডালের সঙ্গে রান্না হালকা ভাজি করে খাওয়া যায়।

সেচি বা হেচি শাক পুষ্টিগুণ ও উপাদান

সেচি বা হেচি শাক দেখতে অসাধারণ হলো পুষ্টিগণের দিক থেকে এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি দেশের সবুজ শাক। গ্রাম বাংলায় মানুষ নিয়মিত এই স্বাদ খেতে মূলত শরীরের শক্ত রাখা ও রোগ থেকে দূর থাকার জন্য। আধুনিক পুষ্টি বিজ্ঞান ও বলেছে সবুজ শাকের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের বিভিন্ন অংশকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। নিচে সেচি বা হেচি শাক প্রধান পুষ্টি উপাদান গুলো তুলে ধরা হলো।

  • ভিটামিন এ
  • ভিটামিন সি
  • আয়রন
  • ক্যালসিয়াম
  • ফাইবার
  • ফোলেট
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
  • পটাশিয়াম
  • ম্যাগনেসিয়াম

সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার নিয়ম

শাক খেলে শরীর ভালো থাকে তবে নিয়ম মেনে খেতে হবে। কারণ যে কোন পুষ্টিকর খাবারও ভুলভাবে খেলে উপকারের বদলে সমস্যা হতে পারে। তাই সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার কিছু সঠিক নিয়ম জানা জরুরী।

আরো পড়ুনঃ থানকুনি পাতা খাওয়ার ২০টি উপকারিতা

  • সেচি বা হেচি শাক  সাধারণত জমির ধারে বা ভেজা জায়গায় জন্মায়। তাই মাটি বালি বা জীবাণু থাকার সম্ভাবনা থাকে। রান্নার আগে ২-৩ বার পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিলেন নিরাপদ হয়।
  • অনেকে কাঁচা শাক খেতে পছন্দ করে বা চাই। কিন্তু এ শাক হালকা রান্না করে খেলে পুষ্টি সহজে শরীরের শোষিত হয় এবং পেটের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমে।
  • হালকা রান্নার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার। এজন্য রসুন ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাঁজি খাওয়া ভালো। আবার ভর্তা করে বা ডালের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়। বেশি তেলে বা বেশি করে রান্না করলে এর পুষ্টিগুণ কমে যায়।
  • তবে পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত। একবারে বেশি না খেয়ে সপ্তাহে ২-৩ দিন অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো।
  • সকালে বা দুপুরে খাওয়া ভালো।
  • শিশু বা বৃদ্ধদের জন্য শাক ভালোভাবে সেদ্ধ বা নরম করে রান্না করলে সহজে হজম হয়।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ হেলেঞ্চা খেলে কি উপকার হয়?

উত্তরঃ হেলেঞ্চা শাক খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবার রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও হজে শক্তি উন্নত করে এবং শরীরের ক্লান্তি কমাতে প্রাকৃতিকভাবে উপকার দেয়।

প্রশ্নঃ প্রতিদিন শাক খেলে কি হয়?

উত্তরঃ প্রতিদিন শাক খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন আয়রন ও ফাইবার পায় ফলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এ তো হজম ভালো থাকে রক্তস্বল্পতা কমে এবং শরীর সতেজ ও সুস্থ থাকে।

প্রশ্নঃ কোন শাক স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো?

উত্তরঃ স্বাস্থ্যের জন্য পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক, হেলেঞ্চা শাক ও লাউ শাক খুব উপকারী। এ শাকগুলোতে ভিটামিন আইরন ও ফাইবার বেশি থাকে যার শরীরে সুস্থ রাখা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

লেখকের মন্তব্য সেচি বা হেচি শাক খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

সেচি বা হেচি শাক গুলো স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার যদি আমরা সঠিক নিয়মে বা সঠিকভাবে খায়। তবে বর্তমান ব্যস্ততার জীবনের কারণে মানুষ এখন প্রায় ভুলে গেছে শাক গুলোর কথা। কিন্তু এগুলো প্রাকৃতিকভাবে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। তাই আমাদের সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যইসেচি বা হেচি শাক গুলোর প্রতি অবহেলা না করে খাদ্যের তালিকায় প্রতিদিন রাখা উচিত। যাতে সুস্থ থাকার জন্য এর পুষ্টি উপাদানগুলো আমাদের শরীরে নিতে পারি। আসুন সুস্থ থাকার জন্য হল আমরা চেষ্টা করি প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানসমূহ শাকসবজি ও ফলমূল খাবারের তালিকায় রাখার। ধন্যবাদ


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url