দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় এবং পদ্ধতি

দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় এবং পদ্ধতি। দাঁতের ব্যথা এমন একটা সমস্যা যা মানুষকে একবারে দুর্বল করে ফেলে। দাঁতের ব্যথা হলে মানুষ ঠিক মতন খেতে পারে না ঘুমাতে পারে না এমনকি ব্যথার যন্ত্র নাই অনেকে কান্না করে। তবে দাঁতের ব্যথা শুরু হয় হঠাৎ করে। একদিন সব ঠিক পরের দিন হালকা ব্যথা আর কয়েকদিন পর সেই ব্যথা অসহ্য হয়ে ওঠে।

দাঁতের-মাড়ি-শক্ত-করার-উপায়
এই ব্যথার পিছনে সবচেয়ে বড় একটা কারণ হলো দাঁতের মাড়ির দুর্বলতা। মাড়ি যদি শক্ত সুস্থ না থাকে তাহলে দাঁত কখনো সুস্থ থাকতে পারে না। আমাদের অনেকে দাঁতের যত্ন বলতে শুধু দাঁত ব্রাশ করাতে বুঝি। কিন্তু বাস্তবে হল দাঁতের চেয়ে বেশি যত্ন দরকার দাঁতের মাড়ি। কারণ দাঁত দাঁড়িয়ে থাকে মাড়ি উপর ভর করে। এ লেখায় আমরা খুব সহজে জানব দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় এবং পদ্ধতি গুলো।

পেজ সূচিপত্রঃ দাঁতের মাড়ি শক্ত করা উপায় এবং পদ্ধতি

দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায়

দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখতে দাঁতের মাড়ির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। হোক না কেন মাড়ি দুর্বল হল দাঁতও ধীরে ধীরে নড়বড়ে হয়ে যায়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দাঁতের ব্যথা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, মাড়ি ফুলে যাওয়া কিংবা মুখে দুর্গন্ধের মত সমস্যা গুলো মূলত মাড়ি দুর্বলতার কারণে দেখা দেয়। অনেক সময় এসব সমস্যা শুরু হয় নিরবে কিন্তু অবহেলা করলে তার বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বর্তমানে ব্যস্ত জীবনে আমরা দাঁতের যত্ন প্রায় অবহেলা করে। নিয়মিত সঠিকভাবে ব্রাশ না করা, অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া, ধূমপান বা পুষ্টিকর খাবারের অভাবে মাড়ি কে দুর্বল করে তোলে। ফলে দাঁতের গোড়া বেরিয়ে আসে এবং সামানো ঠান্ডা বা গরম খেলে ব্যথা অনুভূতি হয়। এ অবস্থায় দাঁতের মাড়ির শক্ত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে।

দাঁতের মাড়ি শক্ত করার জন্য সব সময় ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং দৈনিন্দন কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন এর মাধ্যমে মারিকে আবার শক্ত ও সুস্থ রাখা সম্ভব। এ লেখায় আমরা জানবো দাঁতের মাড়ি কেন দুর্বল হয় কিভাবে সহজ উপায়ে দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় বা এমন কোন অভ্যাসগুলো মাড়ি সুস্থতার জন্য জরুরী।

নিয়মিত মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি

নিয়মিত মৌখিক স্বাস্থ্য বিধি বজায় রাখা শুধু সুন্দর দাঁতের জন্য নয় বরং পুরো শরীরের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিদিন খাবার খায়। সে খাবারগুলো আমাদের দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকে। সেগুলো যদি সঠিকভাবে পরিষ্কার না করে তাহলে মুখের ভিতরে জমা হয়ে ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে। এ ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে রাতের ক্ষয় মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া এবং দুর্গন্ধের কারণ হয়। তাই মুখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখা কে কখনো অবহেলা করা উচিত নয়।

আরো পড়ুনঃ পেটের চর্বি কমানোর ১১ টি উপায়

প্রতিদিন অন্তত দুইবার সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করা মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যবহার করে হালকা হাতে ব্রাশ করলে দাঁতের উপর জমে থাকা ময়লা দূর হয় এবং মাড়ির ক্ষতি হয় না। শুধু দাঁতের সামনের অংশ নয় পেছনের দাম এবং দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থল পরিষ্কার করার জরুরী। অনেকেই এই জায়গাগুলো অবহেলা করেন ফলে সেখানে জীবাণু জমে সমস্যা তৈরি করে।

মৌখিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্রাশের পাশাপাশি কুলি করার অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। আমরা অনেকে আছি খাবার খাওয়ার পরে ভালো করে মুখের কুলি করি না যার কারণে ভিতরে খাবার থেকে যায়। যদি খাবার খাওয়ার পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে কুলি করি তবে মুখের ভেতরে অবশিষ্ট খাবার ধুয়ে যায়। এতে দাঁতে পোকা ধরা ঝুঁকি কমে এবং মারি সুস্থ থাকে। এছাড়া জিহ্বা পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ কারণ জিহবার উপর জমিয়ে থাকা জীবাণুমুখে দুর্গন্ধের অন্যতম কারণ।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন

খাদ্যাভাসের পরিবর্তনের দাঁত ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা প্রতিদিন যা খাই তা সরাসরি প্রভাব পড়ে আমাদের দাঁতের মাড়ি এবং মুখের স্বাস্থ্যের উপর। ভুল খাদ্যাভাসের কারণে ধীরে ধীরে মারি দুর্বল হয়ে যায় দাঁতে পোকা ধরে এবং দাঁতের ব্যথার মত সমস্যা দেখা দেয়। তাই শুধু দাঁত ব্রাশ করলে হবে না খাবারের দিকেও সচেতন হতে হবে।

দাঁতের মাড়ির শক্ত রাখতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখা জরুরি। যেমন দুধ দই ছোট মাছ শাক সবজি দাঁত ও মাড়ির জন্য খুব উপকারী। এগুলো মাড়িকে শক্ত করে এবং দাঁতের গোড়া মজবুত রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন লেবু কমলা আমলকি মাড়ি রক্তপাত কমায় এবং সংক্রমন থেকে রক্ষা করে।

পর্যাপ্ত পানি পান করাও খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পানি মুখের ভেতরে জমে থাকা খাবারের কনা পরিষ্কার করে এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি তাজা ফল শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেলে দাঁত প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার থাকে। সব মিলিয়ে বলা যায় সঠিক খাদ্যভাস দাঁত ও মারি সুস্থতার মূল ভিত্তি। খাবারের ছোট ছোট পরিবর্তনে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দাঁতের সমস্যা থেকে রক্ষা করতে পারে।

চিনি ও এসিডিক খাবার বর্জন

চিনি ও এসিডিক  খাবার বর্জন দাঁত ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত চিনি দাঁতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর উপাদান গুলোর একটি। আমরা যখন মিষ্টি  কেক চকলেট বা চিনি জাতীয় খাবার খায় তখন সেগুলো দাঁতে লেগে থাকে। এই জমে থাকা চিনির উপর ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবিস্তার করে এবং দাঁতের ক্ষয় শুরু করে। ধীরে ধীরে দাঁতের গর্ত তৈরি হয় মারি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দাঁতের ব্যথা দেখা দেয়।

এসিডিক  খাবার যেমন সফট ড্রিংকস টকফলের অতিরক্তি রস ভিনেগার যুক্ত খাবার দাঁতের এনামেল বা ওপরে শক্ত স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এনামেল দুর্বল হয়ে গেলে দাঁত সংবেদনশীল হয়ে ওঠে এবং ঠান্ডা বা গরমে খেলে ব্যথা অনুভূতি হয়। অনেক সময় এসিডিক খাবার বাড়িতে জ্বালা সৃষ্টি করে যার ফলে মা রে লাল হয়ে যায় এবং রক্তপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

নিয়মিত চিনি ও এসিডিক খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে মুখে দুর্গন্ধ মাড়ি সংক্রমন এবং দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে এ অভ্যাস দাঁতের ক্ষতির ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দেয়। তাই দাঁত ও মারি সুস্থ রাখতে চিনি ও এসিডিক খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরী। একবারে বাদ দেওয়া সম্ভব না হলে এসব খাবার খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার পানি দিয়ে কুলি করা উচিত। পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুকলে দাঁত ও মাড়ি দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।

 ধূমপান ও পান সুপারি বর্জন

দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় আরেকটি হচ্ছে ধূমপান ও পান সুপারি বর্জন করা।ধূমপান ও পান সুপারি বর্জন দাঁত ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরী। ধূমপানের ফলে সিগারেটের ক্ষতিকর রাসায়নিক মুখের ভেতরের রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়। এর কারণে মাড়িতে পর্যাপ্ত রক্ত ও পুষ্টি পৌঁছায় না। ফলে মাড়ি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায়। অনেক সময় মারি কালচে হয়ে যায় রক্তপাত শুরু হয় এবং দাঁত নড়বড় হয়ে ওঠে। এ ছাড়া ধূমপান মুখের ভেতরের অংশের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দেই যা দাঁতের ব্যথা ও দীর্ঘ মিয়াদি সমস্যার কারণ হতে পারে।

পান সুপারি খাওয়ার অভ্যাস দাঁতের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর। সুপারি শক্ত অংশ দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে এবং মাড়িতে ক্ষত সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন পান সুপারি খেলে দাঁতের দাগ পরে মারিস শক্ত হয়ে যায় এবং স্বাভাবিক সংবেদনশীলতা নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে খাবার চিবাতে সমস্যা হয় এবং মুখে সবসময় অস্বস্তি অনুভূতি হয়। অনেক ক্ষেত্রে পান সুপারি মুখের ভেতরে মারাত্মক ক্ষতি ও জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ধূমপান ও পান সুপারি নিয়মিত গ্রহণ করলে মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এতে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং দাঁতের যত্ন নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যত ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার করা হোক না কেন এ অভ্যাসগুলো থাকলে মারে ও দাঁতের পুরোপুরি সুস্থ রাখা সম্ভব নয়।তাই দাঁত ও মাড়ির দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার জন্য ধূমপান ও পান সুপারি বর্জন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করলে মাড়ি শক্তি বাড়ে তাদের ব্যথা কমে এবং মুখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য অনেকটাই উন্নতি হয়।

ডেন্টিস্টের পরামর্শ

ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া দাঁত ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক মানুষ দাঁতের ব্যথা বা মারি সমস্যা শুরু হলো তা অবহেলা করেন এবং ঘরোয়া উপায় সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে দাঁতের কিছু সমস্যা এমন আছে যার শুধুমাত্র সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা ছাড়া পুরোপুরি ভালো হয় না। সময় মতন ডেন্টিস্ট এর কাছে গেলে ছোট সমস্যা বড় আকার ধারণ করার আগে সাবধান করা সম্ভব।

ডেন্টিস্ট দাঁত ওমারের অবস্থা ভালোভাবে পরীক্ষা করে সমস্যার মূল কারণ নির্ণয় করেন। দাঁতে পোকা, মাড়ির সংক্রমন দাঁতের পাথর জমা কিংবা দাঁতের গোড়া ক্ষয় এ বিষয়গুলো সাধারণ মানুষ নিজে থেকে বুঝতে পারে না। ডেন্টিস্ট প্রয়োজনীয় অনুযায়ী দাঁত পরিষ্কার পাথর অপসারণ বা সঠিক চিকিৎসার পরামর্শ দেন। যার দাঁতের ব্যথা কমাতে এবং মাড়ির শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুনঃ সহজে হজম ও অন্ত্র সুস্থ রাখার ১০টি সেরা খাবার 

নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করলে দাঁতের ভবিষ্যৎ ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। ছয় মাস বা বছরে অন্তত একবার ডেন্টিস্টের কাছে গেলে দাঁত ও মাড়ির অবস্থা সম্পর্কে আগেভাগে জানা যায়। এতে দাঁত নড়ে যাওয়া মারিজ দুর্বল হওয়া কিংবা দাঁত তুলে ফেলার মত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ডেন্টিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা ও যত্ন নিলে দাঁতের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই দাঁতের ব্যথা মারি রক্তপাত বা মুখের অসস্তি অনুভব হলে দেরি না করে ডেন্টিস্টে শরণাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এদের দাগ ও মাড়ি দুটোই সুস্থ ও শক্ত রাখা যায়।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ অয়েল পুলিং কি সত্যি মাড়ির জন্য ভালো?

উত্তরঃহ্যাঁ,অয়েল পুলিং দাঁতের মাড়ির জন্য উপকারী হতে পারে কারণ এটি মুখের ভেতরে জীবাণু কমাতে এবং মাড়ির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তবে নিয়মিত ব্রাশ ও সঠিক যত্নের বিকল্প হিসাবে নয় সহায়ক অভ্যাস হিসাবে কাজ করে।

প্রশ্নঃ নিম বা লবঙ্গ দাঁতের ব্যথা কমাতে কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ নিম ও লবঙ্গের প্রাকৃতিক জীবাণু নাশক ও প্রদান নাশক গুণ দাঁতের জীবাণু কমাতে সাহায্য করে। ফলে ব্যথা সাময়িকভাবে হালকা হয়। বিশেষ করে লবঙ্গ তেল দাঁতের স্নায়ুতে হালকা বা অবশ করে ব্যথা কমায়।

প্রশ্নঃ দাঁতের ব্যথা কত দিন থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ দরকার?

উত্তরঃ যদি দাঁতের ব্যথা ২-৩ দিনের বেশি স্থায়ী হয় বা তীব্র হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া জরুরী। এছাড়া মারি ফুলে গেলে বা রক্তপাত শুরু হলে দেরি না করে ডেন্টিস্ট এর কাছে যাওয়া জরুরি।

উপসংহার দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় এবং পদ্ধতি

দাঁতের ব্যথা ও মাড়ির সমস্যা এমন কিছু নয় যাকে হালকা ভাবে নেওয়া যায়। একটু অবহেলা ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই আমাদের ভালো থাকতে হলে অবশ্যই নিয়মিত দাঁতের যত্ন সঠিক খাদ্যভাস এবং ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চলে সহজে তাদের শক্ত রাখা সম্ভব। তবে এগুলোর পাশাপাশি আমাদের ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। মনে রাখবেন সুস্থ দাঁত মানে সুস্থ জীবন। তাই আমাদের ভালো থাকতে হলে অবশ্যই দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় গুলো ভালোভাবে জেনে তা পালন করতে হবে ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url