মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ অভ্যাস

মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ ও অভ্যাসের কথা জানবো। অনেকে জানি না কি কারনে আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি হচ্ছে প্রতিনিহিত।মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ গুলোর একটি হল মস্তিষ্ক।চিন্তা, সিদ্ধান্ত নেয়া,মনে রাখা অনুভব করা সবকিছু কেন্দ্রবিন্দু এই মস্তিষ্ক।

মস্তিষ্কের-ক্ষতি-করে

ব্রেন ভালো না থাকলে আমরা সুস্থ ভাবে বাঁচতে পারব না।দুঃখের বিষয় হল আমরা অনেক নিজের অজান্তে এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলেছি যার জন্য আমাদের মস্তিষ্কে দুর্বল করে দেয়।শুরুতে এসব বুঝা না গেল ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।নিচে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ অভ্যাস সম্পর্কে জানব।

পেজ সূচিপত্রঃ মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ অভ্যাস

মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ অভ্যাস

মানব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে মাথা। আর মাথাটা হচ্ছে মস্তিষ্ক। তাই মস্তিষ্ক না থাকলে কোন কিছুর অস্তিত্ব থাকবে না। মস্তিষ্কে ১০০ মিলিয়ন কোষ দিয়ে তৈরি। মস্তিষ্ক যত ব্যবহৃত হবে তত শক্তিশালী আর কার্যকর হয়। বয়স যখন ৪০ এর ওপর হয়ে যায় তখন মস্তিষ্ক কাজ করা কিছুটা কমিয়ে দেন। তাই এ সময় পড়াশোনার বা স্মৃতিশক্তি অনেকটা কমে যায়।৬০ বছরের পরে মানুষের মস্তিষ্ক একেবারেই সংকুচিত হয়ে যায়। মানুষ তার স্মৃতি থেকে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে এমনকি অনেকে রোগের কারণে অনেক কথা ভুলে যায়। তবে মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু অভ্যাস তৈরি করেছে যা তার মস্তিষ্কে ক্ষতির কারণ। কারণ আমরা প্রতিনিয়ত সে কাজগুলো করে থাকি। আসুন নিচে জেনে নেই মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ অভ্যাস এর সম্পর্কে যেগুলোর সাথে মানুষ নিত্যদিনের সঙ্গী।

অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অভ্যাস 

আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কে ভালো থাকার পিছনে খাবারের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা কি খাচ্ছি আর কিভাবে খাচ্ছি এ বিষয়গুলো ধীরে ধীরে আমাদের স্বাস্থ্যের অবস্থা ঠিক করে দেয়। কিন্তু আমাদের কিছু অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অভ্যাসের কারণে আমাদের মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি হচ্ছে। যেটা আমরা সহজে ধরতে পারছি না। ধীরে ধীরে তা বড় আকার ধারণ করে এমনকি মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যার কারণ হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর খাবার বলতে বাইরের খাবার কে বোঝায় না। আমাদের কিছু ভুলের কারণে এ সমস্যা করতে হয় যেমন পানি কম খাওয়া, খাবারের অনিয়ম এবং পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া। এসব অভ্যাস প্রথমে ক্ষতির কারণ না হল ধীরে ধীরে তা বড় আকার ধারণ করে শরীর ও মস্তিষ্কে দুটোকে দুর্বল করে ফেলে। তাই আমাদের ভালো থাকতে হলে অবশ্যই খাবার ও দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো প্রতি সচেতন হওয়া জরুরী।

মানসিক ও শারীরিক কারণ

মানুষের শরীর ও মন এত অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। শরীর ভালো না থাকলে মন ভালো থাকে না। তেমনি মানসিক অস্থিরতা শারীরিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। যার কারণে আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে মানুষ এতটাই কাজের প্রেসার পড়াশোনা চাপ অফিসের কাজ এবং মানসিক যন্ত্রণায় রয়েছে যে মানুষ নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নেওয়া ভুলে গিয়েছে। যার কারণে প্রায় মানুষ এ মস্তিষ্কের মতন ক্ষতির কারণ হচ্ছে। মানসিক চাপ এত থাকে যে মানুষ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে যার প্রভাবের কারণে মস্তিষ্কের ক্ষতি হচ্ছে। এসব সমস্যা আমরা প্রতিনিয়ত ফেস করছি কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু ভুল আমরা করছি যেটা আমরা নিজেরাই বুঝতে পারছি না। যার কারনে মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে স্ট্রেক এর মতন রোগে।

 শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাব

আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেকে মনে করেন সারাদিন কাজ করলে বুঝি শরীরে যথেষ্ট পরিশ্রম পেয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় বেশিরভাগ সময় আমরা বসে বসে কাজ করি যেমন মোবাইল কম্পিউটার বা টিভির সামনে। আবার অফিসের কাজ পড়াশোনা এমনকি বিনোদনগুলো আমরা বসে বসে করি। এতে শরীরের যে পরিমানে পরিশ্রম দরকার সে অনুযায়ী আমাদের শরীরে শক্তি ক্ষয় হয় না। আবার অনেকে আছে যারা ব্যস্ততার কারণে ব্যায়াম করতে চাই না।

আরো পড়ুনঃ সজনে পাতা খাওয়ার নিয়ম ও স্বাস্থ্য ১টি উপকারিতা 

কারণ শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাবের কারণে এ মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব ফেলে। কারণ শরীর ভারী থাকলে মন ভালো থাকে না আর মন ভালো না থাকলে কোন কাজ হয় না। তাই বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে আমরা বর্তমানে পরিশ্রম ও ব্যায়াম থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখছে। আমাদের এই অবহেলা বা বদভ্যাসের কারণে শরীরের ঠিক মতন শক্তি পাইনা এমনকি অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে শরীরে পুষ্টি ও পায়ন

বিষাক্ত পদার্থ

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক জিনিস আছে যেগুলো আমরা গুরুত্ব না দিয়ে ব্যবহার করি কিন্তু এগুলো ধীরে ধীরে শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য বিষের মতন কাজ করে। এসব বিষাক্ত পদার্থ অনেক সময় চোখে দেখা যায় না আবার অনেক সময় আমরা জেনেও অবহেলা করে। যেমন ধূমপান তামাক জাত দ্রব্য অতিরিক্ত মদ্যপান এসব সরাসরি শরীরের ভিতরে বিষ ঢুকিয়ে দেয়। যা দিন দিন আমাদের রক্তের সাথে মিশে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় এবং ধীরে ধীরে ব্রেনের স্বাভাবিক কার্যক্রম নষ্ট করে দেয়। এসবের কারণে অনেক সময় ব্রেন ড্রেড বা স্ট্রোকের মতন রোগের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া দূষিত বাতাস ধুলাবালি কীটনাশক বা তীব্র রাসায়নিক বন্ধ বিষাক্ত পদার্থের মধ্যে পড়ে। এসবের প্রভাব ধীর হল গভীর। নিয়মিত এসবের স্পর্শে থাকলে মস্তিষ্কের ওপর চাপ বাড়ে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং শরীর সবসময় ক্লান্ত অনুভব হয়।

সকালে নাস্তা না করা

সকালে নাস্তা না করা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। কারণ সকালের খাবারটা আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজন। সারারাত রাত না খাওয়ার কারণে শরীরের দুর্বল থাকে।অনেক মানুষ আছে যারা সকালে নাস্তা করে না। যার কারণে মানুষ দিন দিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। সকালের খাবারটা আমাদের শরীরের পুষ্টি যোগায় যা আমাদের সারা দিনের কাজের জন্য এনার্জি দেই। কিন্তু আমরা সকালে ঠিকভাবে খেতে চাই না। যার কারণে দিন দিন মানুষের শরীর দুর্বল ও মস্তিষ্কের ওপর চাপ পড়ছে। কারণ শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একটি সঙ্গে জড়িত। তাই একটা ড্যামেজ হলে অন্যটা কাজ করা প্রায় কমিয়ে দেয় বা শক্তির থাকে না। যার প্রভাব গিয়ে পড়ে আমাদের মস্তিষ্কের উপরে। তাই সকালে নাস্তা না করলে শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য একটি খারাপ অভ্যাস যা ক্ষতি ধীরে ধীরে বুঝতে পারা যায়। সকালে নাস্তা না করা এটা আমাদের প্রতিদিনের খারাপ অভ্যাসের মধ্যে একটি।

রাতের বেলা দেরি করে ঘুমানো

বর্তমানে মানুষের জীবনে কমন হচ্ছে রাতের বেলা দেরি করে ঘুমানো । কেউ কাজের চাপে কেউ বা পড়াশোনার আবার কেউবা অতিরক্ত টেনশনের কারণে। রাতে ঠিক মতন ঘুমাতে পারেনা বা কেউ ইচ্ছা করে রাত জেগে থাকে। যার প্রভাব আমাদের সরাসরি মাথার ব্রেনে আঘাত করে। এর কারণে মাথাব্যথা অস্বস্তি চোখে ঝাপসা দেখা এমনকি বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। রাতে সঠিক সময় ঘুমালে শরীর বা মস্তিষ্কের বিশ্রাম মিলে এবং মস্তিষ্ক ভালো থাকে। কিন্তু আমরা আমাদের নিজের বদভ্যাসের কারণে এই বিশ্রাম থেকে আমাদের শরীর বা মস্তিষ্ক দিচ্ছি না। এই অভ্যাসগুলো আমরাই নিজেরাই তৈরি করেছে আমাদের জীবনে। কারণ কেউ কাজের চাপে বা কেউ ইচ্ছা করে রাত জেগে থাকতে পছন্দ করে। এসব বদ অভ্যাসের কারণে আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি হচ্ছে এবং আমরা বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়ছি প্রতিদিন।

অধিক বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকা

অনেকে মনে করেন যত ঘুম হবে তত ভালো তাই সকলে দেরি করে ঘুমিয়ে থাকে। কিন্তু অধিক বেলা পর্যন্ত ঘুমানোর শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য আসলে ভালো নয়। সকাল দুপুর পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকা শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের চক্রকে ভাঙ্গে। তখন মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাওয়ার বদলে এলোমেলো হয়। যার ফলে দিনের কাজগুলো ঠিকভাবে করতে পারিনা। আমাদের শরীরে যে পরিমাণ বিশ্রামের দরকার তার থেকে অধিক ঘুমিয়ে অতিরক্ত করে ফেলে। কারণ অতিরক্ত কোন কিছু ভালো নয়। অধিক ঘুমের ফলে শরীর পরিশ্রম কম হয় এবং শক্তি বৃদ্ধি পায় না। যার ফলে হাটের রক্তচলাচল স্বাভাবিক হয় না শরীর ক্লান্ত হয় আর মস্তিষ্কের ঠিকভাবে কাজ করে না। এসবের জন্য আমরা দায়ী কারন আমাদের বদ অভ্যাসগুলোই আমরা নিজেরাই তৈরি করেছি। তাই আমাদের প্রতিদিন ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের ক্ষতি হচ্ছে।

ইচ্ছাকৃতভাবে প্রসাব আটকে রাখা

অনেক মানুষ আছে যারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রসাব আটকে রাখে। কেউ আল সিমের কারণে কেউবা কাজের ব্যস্ততার কারণে আবার কেউবা ইচ্ছাকৃতভাবে। কারণ প্রসব আটকে রাখলে মূত্রথলিতে চাপ জমে যায় এবং ধীরে ধীরে এটি মূত্রথলির পেশি দুর্বল করে দেয়। হলে পরবর্তীতে প্রসাবের সময় কষ্ট বারবার প্রস্রাব করার প্রয়োজন অনুভব বা এমন কি মূত্র সংক্রমন ঝুঁকি বাড়ে। এতে শুধু শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হয় না মস্তিষ্ক এতে প্রভাবিত হয়। এসব বদ অভ্যাসগুলো প্রতিনিয়ত আমরা করে থাকি। যার কারণে বেশি ভাগ মানুষ এখন প্রায় বিভিন্ন বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এবং এমনকি এই অভ্যাসে দীর্ঘমেয়াদি শরীর এবং মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর।

অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার বেশি খাওয়া

এমন লোক আছে যারা অতিরক্ত মিষ্টি খাবার খেতে পছন্দ করে। অতিরক্ত মিষ্টি খাবার খেলে আমাদের শরীরকে দুর্বল করে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু বর্তমানে মানুষ অতিরিক্ত মিষ্টির ওপর বেশি ঝুঁকে পড়ছে। যার প্রভাব আমাদের শরীরের সাথে সাথে মস্তিষ্কে গিয়েও পড়ছে। দোকানের মিষ্টি বাঁ হাতে তৈরি মিষ্টি খাবার মানুষের কাছে এত ভালো লাগে যে যেখানে অল্প পরিমাণে খাওয়ার দরকার সেখানে অধিক পরিমাণে খেয়ে ফেলছে। এতে আর স্বাস্থ্য ধীরে ধীরে ক্ষতি করছে। প্রথমে বুঝা না গেলেও এর প্রভাব ধীরে ধীরে মানব জীবনে পড়ছে। দীর্ঘদিন অতিরক্ত মিষ্টি খেলে ওজন বাড়ার সমস্যা ছাড়াও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক শক্তি কমে যায়। আবার অনেকে মনে করেন মিষ্টি খেলে কি হবে। আর এসব খারাপ অভ্যাসের কারণেই মানুষ এখন প্রায় অসুস্থ থাকে।

খাওয়ার সময় মোবাইল দেখা

বর্তমানে মানুষের সবচেয়ে বাজে অভ্যাস হচ্ছে মোবাইলের স্ক্রিনে পড়ে থাকে। কেউ ইচ্ছা করে মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে আবার কেউ কাজের ব্যস্ততার কারণে। কিন্তু এ মোবাইল আমাদের জীবনে এমন ভাবে আসক্ত করেছে যে যার কারণে আমাদের মস্তিষ্কে গিয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। কারণ মানুষ ঘুমানোর আগ পর্যন্ত মোবাইলের স্ক্রিনে আটকে থাকে যা আমাদের সরাসরি ব্রেনে গিয়ে আঘাত করে। মোবাইল দেখার কারণে ব্রেন আমাদের আরাম পায় না। আবার অনেকে আছে খাওয়ার সময় মোবাইল দেখে খায়। এটা তো সব থেকে বাজে অভ্যাস।

আরো পড়ুনঃ দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় ও পদ্ধতি

এ বাজে অভ্যাসের কারণে বর্তমানে মানুষ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। খাবার সময় মন খাবারের ওপরে না রেখে মোবাইলে থাকা মানে মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিশ্রাম বা মনোযোগ পায় না হলে হজমের সমস্যা হতে পারে খাবার ঠিকভাবে গলায় নামে না আর পেট ভারী ও অস্বস্তি কর অনুভূতি হয়।। এ বাজে অভ্যাসের কারণে আমাদের মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করে না। এই বাজে অভ্যাসে মানুষ এতটাই আসক্ত যে সঠিক ভুল এর বিচার করতে পারে না।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ ব্রেন শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণ কি?

উত্তরঃ ব্রেন শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণ হল স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া মনোযোগ হারানো এবং মাথা ভারী লাগা। এছাড়া সারাদিন অলসতা সহজে বিরক্ত ও সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়া এসব কারণ হচ্ছে ব্রেন সুখে যাওয়ার লক্ষণ।

প্রশ্নঃ মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার উপায় গুলো কি?

উত্তরঃ মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম পানি স্বাস্থ্যকর খাবার ও হালকা ব্যায়াম করা উচিত। এছাড়া আমরা যে খারাপ অভ্যাসগুলো আমাদের প্রতিদিনের জীবনে তৈরি করেছি তা বর্জন করা। এবং জীবনকে গোছাতে আর মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে জীবনের চলার পথটা সঠিক নির্বাচন করা।

প্রশ্নঃ মস্তিষ্ক ক্ষতির জন্য পরিবেশ কি দায়?

উত্তরঃ পরিবেশ দূষণ ধুলাবালি ও রাসায়নিক পদার্থ মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। শান্তি ও নিরাপদ পরিবেশ না থাকলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়াও চাপপূর্ণ বা অশান্ত পরিবেশ মস্তিষ্কে অস্থির ও দুর্বল করে তোলে।

উপসংহার মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন ১০টি খারাপ অভ্যাস

মস্তিষ্ক আমাদের জীবন চলার শক্তি। আজকের ছোট ছোট খারাপ ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সময় থাকতে সচেতন হওয়া জরুরী। কারণ আগে থেকে সচেতন না হলে ধীরে ধীরে তা বড় ক্ষতির সম্মুখ হতে পারে। তাই সময় থাকতে সচেতন হওয়া প্রত্যেকটি মানুষের প্রয়োজন। নিজের জীবনের চলার পথ যদি আমরা সঠিকভাবে নিতে পারি তাহলে মস্তিষ্ক সুস্থ সক্রিয় ও শক্তিশালী রাখা সম্ভব। মনে রাখবেন মস্তিষ্কের যত্ন মানে নিজের ভবিষ্যতের যত্ন। আসুন সকলে মিলে আজ থেকে নিজেদেরকে ভালো রাখতে এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি করে এমন খারাপ অভ্যাসগুলো থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখি এবং সুস্থ জীবন গড়ি ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url