দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায়

দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায় জানবো। বর্তমানে প্রায় মানুষ দাঁতের সমস্যা আছে কারণ মানুষ ত্বকের যত্ন যেভাবে নেই দাঁতের যত্ন সেভাবে নেই না। যার কারণে মানুষের মাড়ি ফোলা ও ব্যথার মতো সমস্যায় ভুগতে হয়।

দাঁতের-মাড়ি-ফোলা-ও-ব্যাথা-কমানোর

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার।ছোট বাচ্চারা চকলেট বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার কারণে  মাড়ি ফোলা বা ব্যথা হয়।অনেক সময় প্রাকৃতিক উপায় ও দাঁতের যত্ন নেয়া হয়। এখন জানবো দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায়  সম্পর্কে।

পেজ সূচিপত্রঃ দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায়

দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায়

দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা একটি সাধারণ কিন্তু অবহেলা করলে গুরুতর সমস্যা রূপ নিতে পারে। মাড়ি সুস্থতা ঠিক না থাকলে দাঁত দুর্বল হয়ে পড়ে। যার কারণে মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হয় এবং খাওয়া-দাওয়ার অস্বস্তি দেখা দেয়। দাঁতের মাড়ি ফুলে থাকলে খাবার খেতে সমস্যা হয়। আর ব্যথা হলে পুরো শরীর যেন ব্যথা করে। কারণ দাঁত ব্যথা করলে মানুষ এমনিতেই অসুস্থ হয়ে যায়। তবে অনেক সময় দাঁতের ব্যথা কমার ওষুধ না থাকলে আপনি প্রাকৃতিক উপায়ও ব্যথা কমাতে পারেন। এখন আমরা জানব দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায় গুলো সম্পর্কে।

  • লবণ পানি দিয়ে কুলি করাঃ অনেক সময় আমাদের অনেক ব্যথা করে দাঁত বা মাড়ি। আবার মাড়ির গোড়া ফুলে যায়। খাবার খেতে পারি না। অনেক সময় রাতে হঠাৎ করে দাঁতের ব্যথা শুরু হয়ে গেল। তখন আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার দাঁতের মাড়িফুলা বা ব্যথা কমাতে পারেন। হালকা গরম পানি সাথে লবণ দিয়ে কুলি করলে আপনার দাঁতের ব্যথা কমে যাবে।
  • গরম পানির ভাপ নেওয়াঃ অনেক সময় ব্যথার কারণে আমাদের মাড়ি বা গাল ফুলে যায়। যার কারণে অনেক অস্বস্তি বোধ হয়। ঠিকভাবে খাবার খেতে পারা যায় না। আপনি যদি গরম পানির ভাপ নিলে মুখের ভেতরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং জমে থাকা জীবাণু দুর্বল হয়ে যায়। এতে আপনার ব্যথা অনেকটা কমে যাবে।
  • হলুদ ও মধুর ব্যবহারঃ হলুদ এবং মধু এটা প্রায় মানুষের বাড়িতে আছে। কারণ হলুদ রান্নার কাজের জন্য ব্যবহার হয়। আর মধু হচ্ছে খাবারের জন্য বাড়িতে রাখে। এই দুটি উপাদান দিয়ে আপনি খুব সহজে আপনার দাঁতের ব্যথা কমাতে পারবেন। হলুদ হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। সামান্য হলুদের গুড়োর মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মাড়িতে আলতো করে লাগালে ব্যথা অনেকটা কমে যায়।
  • লবঙ্গ ও লবঙ্গ তেলঃ আপনার দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমাতে পারবেন লবঙ্গর মাধ্যমে। হঠাৎ করে যদি আপনার দাঁতের ব্যথা উঠে তাহলে আপনি লবঙ্গ চিবিয়ে বা লবঙ্গ তেল তুলার সাহায্যে আপনার ব্যথার জায়গায় লাগালে আপনার ব্যথা অনেকটা কমে যাবে। লবঙ্গ তে রয়েছে ইউজেনল প্রাকৃতিক উপাদান।
  • অ্যালোভেরার জেলঃ আমরা বিভিন্ন কাজের ব্যবহার করে থাকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে। এলোভেরা রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান। যা আপনার দাঁতের ব্যথা বা মাড়ি ফোলা কমাতে সাহায্য করে। আপনি দিনে ১ বার মাড়িতে লাগাতে পারেন।
  • সরিষার তেল ও লবণঃ সরিষার তেল ও লবণ এটার পদ্ধতি আমরা অনেক আগে থেকে দেখে আসছি। আমাদের মা- দাদীদের দেখতাম দাঁত ব্যথা হলে সরিষার তেল ও লবণ একসাথে মিশিয়ে দাঁতের ব্যবহার করত। এতে কিছুক্ষণ পরে দাঁতের ব্যথা কমতো। এতে করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ব্যথা কমে যায়।
  • নিমপাতা বা নিম ডালঃ নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজা এটা একটি প্রাচীন পদ্ধতি। নিমপাতা বা নিমের ডালে রয়েছে জীবনুধ্বংস করার ক্ষমতা। আপনার মুখে দুর্গন্ধ থাকলে নিমের ডাল বা পাতা ব্যবহার করলে দুর্গন্ধ খুব সহজে চলে যায়। নিম প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক। নিম পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করা বা নিম ডাল দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলে মাড়ির সংক্রমণ কমে।
  • বরফ সেকঃ অনেক সময় আমাদের ব্যথার কারণে গাল ফুলে যায়। এর কারণে খুব অস্বস্তি লাগে। এ ব্যথা কমানোর জন্য আপনি বরফের সেক দিতে পারেন। এতে আপনার গাল ফুলা এবং ব্যথা কমে যাবে।

দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথার প্রধান কারণ

দাঁতের মাড়ি ফোলা বা ব্যথার কারণ হচ্ছে আমরা ঠিকভাবে দাঁতের যত্ন নি না। বা এর অন্য কোন কারণ থাকতে পারে। কারণ আমরা ত্বকের যত্ন যেভাবে নেই দাঁতের যত্ন সেভাবে নিনা। যদি আপনি সঠিক কারণ জানতে পারেন তাহলে চিকিৎসা বা ঘরোয়া উপায় দাঁতের যত্ন নিতে পারবেন। নিচে দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথার প্রধান কারণ গুলো দেওয়া হল।

আরো পড়ুনঃ শীতকালে দুধ খাওয়ার ৭টি উপকারিতা

  • আমরা খাবার খাই কিন্তু খাবারের পরে ভালো করে কোলকুচি করি না। যার কারণে আমাদের দাঁতের ফাঁকে খাবার লেগে থাকে। আরে খাবার কারণে দাঁতে ব্যাকটেরিয়া আমাদের দাঁতের ক্ষতি করতে পারে যার কারণে দাঁতের মাড়ি হলে ব্যথা সৃষ্টি হয়।
  • দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথার অন্যতম কারণ হচ্ছে নিয়মিত ব্রাশ না করা। কারণ নিয়মিত ব্রাশ না করলে মুখে দুর্গন্ধ এবং ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • দাঁতের মাড়ি ফোলাও ব্যথার আরেকটি প্রধান কারণ হচ্ছে প্লাক ও টারটার জমা। এতে দাঁতের উপর হলুদ বা কালচে স্তর জমে যাওয়ার কারণে দাঁতের ব্যথা হয়।
  • দাঁতের মাড়ি ফুলা বা ব্যথা আর একটু অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ভিটামিন সি এর ঘাটতি। যদি শরীরে ভিটামিন সি এ কম থাকে তাহলে মারে দুর্বল হয়ে যায় এবং সহজে ফুলে যায়।
  • অনেক সময় আমাদের হরমোন পরিবর্তন হয়। যেমন গর্ভাবস্থায়, বয়ঃসন্ধিকাল বা মেনোপজের সময় হর মনের পরিবর্তনের কারণে মারি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।
  • দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ধূমপান বা তামাক সেবন। ধূমপান করলে মাড়ি রক্ত সঞ্চালন কমে দেয় এবং ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়।

দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা সাধারণ লক্ষণ

উপরে দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায় গুলো জেনেছি।বর্তমানে মানুষ প্রায় দাঁতের ব্যথাতে ভুগে। কারণ দাঁতের যে সাধারণ লক্ষণগুলো আছে সেগুলো তারা বুঝতে চায় না। সেগুলোকে সাধারণ সমস্যা মনে করে রেখে দেয়।, যার করো মানুষকে অনেক ভোগান্তিতে ভুগতে হয়। তাই যখন দেখবেন আপনার নিজের ভিতরে এই সাধারণ লক্ষণ গুলো দেখা যায় তখন আপনি সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

  • মাড়ি লাল ও ফুলে যাওয়া।
  • ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়া।
  • মুখে দুর্গন্ধ বের হওয়া।
  • মাটিতে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া করা।
  • দাঁত নড়বড় লাগা ।
  • শক্ত খাবার চিবাতে কষ্ট হওয়া।

মাড়ি সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের যত্ন

মাড়ি সুস্থ না থাকলে দাঁতও ভালো থাকে না। মাড়ির সমস্যা হলে দাঁত নড়বড় হয়ে যেতে পারে। আর সেই সাথে রক্তপাত ও ব্যথা দেখা দেয়। মারিফুলা বা ব্যথা এটা একদিনে হয় না। কারন আমরা যখন অবহেলা করতে করতে এমন এক পর্যায়ে যায় যখন আমাদের অতিরক্ত সমস্যা হয় তখন আমরা বুঝতে পারি। তাই আমাদের এসব সমস্যা সমাধান বা সুস্থ থাকতে হলে আমাদের কিছু নিয়ম ভালো করতে হবে। যেগুলো করলে মারি ও দাঁত ভালো থাকবে। চলুন কিভাবে প্রতিদিন দাঁত ও মাড়ি যত্ন নেওয়া যায় তা জানি।

  • সকাল সন্ধ্যা দুইবার ব্রাশ করতে হবে। তবে নরম ব্রাশ দিয়ে ব্রাশ করতে হবে দাঁত। যাতে মাড়ি আঘাত না পায়। ব্রাশ করার সময় অবশ্যই দাঁত ও মাড়ি র সংযোগস্থল আলতোভাবে পরিষ্কার করার জরুরী।
  • খাবার খাওয়ার পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার বের হয়ে যায়। সপ্তাহে কয়েকদিন লবণ পানিতে কুলি করলে মাড়ির জীবাণু কমে এবং খোলা হওয়ার ঝুঁকি কমে।
  •  দাঁতের ফাঁকে যে ময়লায় ব্রাশে পরিষ্কার হয় না তা ফ্লস দিয়ে পরিষ্কার করা দরকার। দিনে একবার ফ্লস ব্যবহার করলে মাড়ি সুস্থ থাকে।
  • দাঁত পরিষ্কার করার জন্য উপযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন।
  • ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবু, কমলা, পেয়ারা মাড়ি শক্ত রাখে। ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার দাত ও মাড়ির জন্য উপকারী। অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।
  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করলে মুখের ভেতর পরিষ্কার থাকে এবং জীবাণু জ্বলতে পারে না। পানি মুখে শুষ্কতা কমায় যা মাড়ি জন্য ভালো।
  • ধূমপান ও পান মশলা ব্যবহার না করা।
  • নিয়মিত ব্রাশ পরিবর্তন করা।৩-৪ মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত।
  • মুখের দুর্গন্ধ হলে অবহেলা না করা।
  • ছয় মাস অন্তর কাছে ডাক্তারের কাছে যে দাঁতের পরীক্ষা করা।

কোন খাবার মাড়ির জন্য উপকারী

মাড়ি সুস্থ রাখতে হলে শুধু দাঁত পরিষ্কার করলে হবে না। তার সাথে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ যে খাবার গুলো রয়েছে। কারণ স্বাস্থ্যকর খাবার রাখতে পারে দাঁত ও মাড়িকে সুস্থ। তবে আমাদের খাবারের অবহেলার কারণে দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা হয়ে থাকে। এজন্য আমাকে খেতে হবে যেগুলো খেলে আমাদের দাঁত মারি সুস্থ থাকে। যেমন কিছু খাবার মাটিকে শক্ত করে ব্যথা কমায় এবং রক্তপাতের ঝুঁকি কমায়। চলুন জেনে নিন।

  • ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবু, কমলা, মাল্টা, পেয়ারা, আমলকি এবং স্ট্রবেরি।
  • যে খাবারগুলোতে ক্যালসিয়াম রয়েছে যেমন দুধ, দই, পনির ছোট মাছ এবং তিল।
  • শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণের সাহায্য করে ভিটামিন ডি। যেমন ডিমের কুসুম, সামুদ্রিক মাছ এবং সূর্যের আলো।
  • আঁশযুক্ত খাবার দাম ও মারি প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার করে এবং রক্ত সঞ্চালনে বাড়ায়। যেমন আপেল, গাজর, শসা, বাঁধাকপি এবং পালং শাক।
  • অ্যান্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার যেমন গ্রিন টি, বেরি ফল, আঙ্গুর এবং ডালিম।
  • যে খাবারগুলো প্রোটিন যুক্ত যেমন ডিম, মাছ, মুরগির মাংস ডাল এবং ছোলা।
  • পানি ও হাইড্রেটিং খাবার বেশি বেশি খেতে হবে যেমন বিশুদ্ধ পানি, তরমুজ, শসা এবং কমলা।
  • কিছু খাবার মুখের ক্ষতিকর জীবাণু কমায় যেমন কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবল লবঙ্গ।

কখনো অবশ্যই ডেন্টিস্টের কাছে যাবেন

দাঁত বা মারি সমস্যা অনেক সময় ঘরোয়া যত্নে সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে। কিন্তু কিছু লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে অবশ্যই ডেন্টেস্টের কাছে যাওয়া জরুরী। না হলে সমস্যারও জটিল হয়ে উঠতে পারে। এমন কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেখলে অবশ্যই সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ করা জরুরী। আসুন নিচে লক্ষণ গুলো জেনে নি।

আরো পড়ুনঃ পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৭টি

  • ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করে যদি মারি ব্যথা বা অস্বস্তি ৩-৪ দিনের মধ্যে না কমে তাহলে সাথে সাথে ডেন্টিস্ট এর কাছে যান।
  • মাড়ি থেকে বারবার রক্তপাত হলে বা বেশি রক্ত হলে ডেন্টাস্টের কাছে যাওয়া জরুরী।
  • মাড়িতে পুঁজ বা ফোড়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যান।
  • প্রাপ্তবয়স্কদের দাঁত নড়বড় হওয়া স্বাভাবিক নয়। এটা হতে পারে মারি ক্ষয়ের ইঙ্গিত।
  • নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করার পরও মুখের দুর্গন্ধ থেকে যায়।
  • অতিরিক্ত দাঁত ও মাড়ি ব্যথা হলে।
  • মাড়ি ব্যথার সঙ্গে জ্বর গাল বা চোয়াল ফুলে গেলে। 
  • দাঁত ভেঙ্গে গেলে বা দুর্ঘটনায় আঘাত পেলে।
  • নিয়মিত চেকআপের জন্য ডেনটেস্টের কাছে যাওয়া জরুরী।

FAQ: প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ দাঁতের হলুদ দাগ উঠানোর নিয়ম কি?

উত্তরঃনিয়মিত দিনে ২বার ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ ও খাবারের পর কুলি করলে হালকা হলুদ দাগ কমে। বেশি দাগ হলে স্কেলিং ও পলিশিংয়ের জন্য ডেন্টিস্টের কাছে যেতে হবে।

প্রশ্নঃ দাঁতের মাড়ি ফুলে কেনো?

উত্তরঃ দাঁতে প্লাক ও জীবাণু জমে মারিতে সংক্রমন হলে মাড়ি ফুলে যায়। এছাড়া দাঁত ঠিকমতন পরিষ্কার না করা ও ভিটামিন সি এর ঘাটতি মাড়ি ফোলা দেখা দেয়।

প্রশ্নঃ ছোট বাচ্চাদের দাঁত ব্যাথা হয় কেনো?

উত্তরঃ দাঁত উঠার সময় মাড়িতে চাপ পড়ায় ছোট বাচ্চাদের দাঁত ব্যথা হয়। এছাড়া মিষ্টি বেশি খাওয়া ও দাঁত পরিষ্কার না করার কারণে দাঁতে পোকা ধরল ব্যথা হতে পারে।

উপসংহার দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায়

দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ৮টি প্রাকৃতিক উপায় গুলো সহজ, নিরাপদ এবং নিয়মিত মানলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। তবে দীর্ঘ মেয়াদী সুস্থতার জন্য সঠিক দাঁতের যত্ন ও প্রয়োজনীয় ডেন্টেস্টের পরামর্শ নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ করে যদি দাঁতের ব্যথা উঠে তাহলে উপরে নিয়মগুলো মানলে ব্যথা কমতে পারে এবং দাঁত ভালো থাকবে।যদি হঠাৎ করে দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যাথা কমানোর জন্য ৮টি প্রাকৃতিক উপায় গুলো ব্যবহার করা যায়। তাই আসুন দাঁতের যত্ন নিন এবং সুস্থ থাকে। ধন্যবাদ


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url