শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা

শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আজকে জানবো।বর্তমানে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে মোজার চাহিদা।শীতে মানুষ শরীর গরম রাখার জন্য আলমারি থেকে গরম কাপড় বের করছে। আর পা গরম করে রাখার জন্য মোজা ব্যবহার করছে।

শীতে-মোজা-পরে-ঘুমানোর-৬টি-উপকারিতা

রাতে মোজা পড়ে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকার বা কি কি অপকারিতা রয়েছে।অনেকে গরমকালে বা সারা বছর ছোট মোজা ব্যবহার করেছে। কিন্তু শীতকালে মানুষ বড় মোজা ব্যবহার করছে। আসুন নিচে জেনে নিই মোজা পড়ে ঘুমানোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

পেজ সূচিপত্রঃ শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা

শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা সম্পর্কে

শীতকাল মানে ঠান্ডা। শীতে শরীরকে গরম রাখার জন্য আমরা বিভিন্ন গরম কাপড় পড়ে থাকে। আর সাথে পাকে গরম করার জন্য মোজা ব্যবহার করি। কারণ অনেকে আছে পায়ের ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না। এজন্য তাকে গরম রাখার জন্য রাতে মোজা করে ঘুমিয়ে যাই। তবে বর্তমানে মোজার চাহিদা এখন সারা বছর রয়েছে। কারণ মানুষ ছোটমোজা সব সময় ব্যবহার করে। তবে শীতকালে এর চাহিদা বেশি বাড়ে। কারণ শীতকালে মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে পা ঠান্ডা হয়ে যায়।

পা ঠান্ডা থাকলে ঠিকমতো ঘুম আসে না। বারবার ঘুম ভেঙ্গে যায় রাতে। এ সমস্যার সমাধান জন্য অনেকেই শীতে মোজা করে ঘুমায়। তবে অনেকে মনে করে রাতে মোজা করে ঘুমালে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।তবে শীতে মোজা করে ঘুমানো কি সত্যি উপকারি,নাকি এতে কোন ক্ষতি আছে। এই লিখায় আমরা শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে জানব। আসুন নিচে বিস্তারিত জেনে নিন।

  • পা গরম থাকে ওর ঠান্ডা কমেঃ শীতের সময় অনেকের পা প্রচুর ঠান্ডা হয়ে থাকে। তখন ঘুমাতে অনেক সমস্যা হয়। আপনি যদি রাতে মোজা করে ঘুমান তাহলে আপনার পা গরম থাকবে ও ঠান্ডা কম লাগবে। এতে আপনার ঘুম খুব ভালোভাবে হবে এবং শরীর স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
  • তাড়াতাড়ি ঘুম আসবেঃ পা গরম থাকলে শরীরে একটি আলাদা ভালোলাগা অনুভব হয়। যার ফলে আপনার তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে উষ্ণ পা ঘুম ভালো করতে সাহায্য করে। শীতকালে পা গরম থাকলে মন ভালো থাকে।
  • রক্ত চলাচলে স্বাভাবিক রাখেঃ যাদের পা ঠান্ডা লাগার সমস্যা আছে তাদের জন্য শীতে মোজা পড়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। অনেকে আছে শীতকালে প্রচুর পা ঠান্ডা থাকে সহজে গরম হতে চায় না। তখন তাদের খুব অসুস্থ বোধ হয়। তাই মোজা পড়ে ঘুমালে পায়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। বিশেষ করে যাদের পা সহজে ঠান্ডা হয়ে যায় তাদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী।
  • পা ফাটা কমাঃ শীতকালে অনেকের ঠান্ডা কারণে পা ফেটে যায়। ঠান্ডার কারণে অনেক সময় পায়ে শুষ্কতা বা রুক্ষতাও দেখা দেয়। যার কারণে পা ফেটে অনেক সময় রক্ত বের হয়। রক্ত পড়ার কারণে অনেক সময় পায়ের ব্যথা চলাফেরা করতে সমস্যা হয়। পা ফাটা কমার জন্য শীতকালে মোজা পড়া আপনার জন্য হবে সঠিক পদ্ধতি।তাই আপনি যদি রাতে পায়ে ময়শ্চারাইজার বা তেল লাগিয়ে মোজা  পরে ঘুমান তাহলে আপনার ত্বক নরম হবে ও পা ফাটা সমস্যার সমাধান হবে।
  • ঠান্ডা জনিত ব্যথা ও অস্বস্তি কমায়ঃ শীতে অনেকের পুরনো ব্যথা বেড়ে যায়। যেমন পায়ের গোড়ালি ব্যথা, পায়ের তলা ব্যথা, মাজা ব্যথা এবং মাথাব্যথা। আবার অনেকের আছে শীতকালে পায়ের আঙ্গুল বা পায়ের তলা অনেকটা ফুলে যায়। যার কারণে চলাফেরা করতে অনেকটাই সমস্যা হয়। আবার এ সমস্যার কারণে ফোলা জায়গা প্রচুর চুলকায়। আর এসব সমস্যার জন্য শীতকালে মোজা পরাটা হবে সঠিক পদ্ধতি। যাদের পায়ে হালকা ব্যথা আছে বা জড়তা অনুভূতি হয় তাদের জন্য মোজা পড়ে ঘুমানো একটি সহজ সমাধান। কারণ শীতকালে মোজা পড়ে ঘুমালে এ সমস্যা অনেকটা কমে যায়।
  • শিশু ও বয়স্কদের জন্য উপকারীঃ শিশু ও বয়স্করা ঠান্ডা সময় অনেক সমস্যা সম্মুখ হতে হয়। কারণ এরা ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না। শীতকালে শিশুদের প্রচুর ঘনঘন ঠান্ডা লাগে এবং বয়স্কদের তখন স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই শীতকালে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে শীতে মজা পড়ে ঘুমানো বাড়তি সুরক্ষা দেয় স্বাস্থ্যের।

শীতে মোজা পরে ঘুমানোর অপকারিতা 

আমরাও উপরে জানলাম শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা সম্পর্কে। শীতকালে মোজা পড়ে ঘুমালে যেমন উপকার রয়েছে তেমনি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম রয়েছে। শীতকালে রাতে মজা পড়ে ঘুমালে যেমন আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় তবে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করতে পারে তাহলে এর অপকারও রয়েছে। কারণ হচ্ছে শীতকালে স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য বা পাকে গরম করার জন্য গরম কাপড়ের পাশাপাশি মোজা ব্যবহার করি তবে এর একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অতিরিক্ত হলেই সমস্যা চলুন সমস্যা  বা অপকারিতা গুলো জেনে নিন।

  • ঘাম জমে থাকাঃ আমরাও কম বেশি সকলে সারা বছর মোজা ব্যবহার করে থাকে। তবে ব্যবহার করলে এর যত্ন করা প্রয়োজন। অনেক সময় দেখা যায় অনেকক্ষণ মোজা পড়ে থাকলে পায়ে ঘাম জমতে পারে। এতে ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা চুলকানি সমস্যা দেখা দিতে পারে। মোজা খোলার পরে পা এতটা চুলকায় অনেক সময় তার রক্ত বের হয়ে যায় বা বড় কোন ইনফেকশন হতে পারে।
  • ত্বকের এলার্জি বা চুলকানিঃ যাদের চুলকানি সমস্যা আছে তাদের খুব সাবধানে মোজার ব্যবহার করা উচিত। কারণ এমন কাপড় আছে যেগুলো ব্যবহার করলে ত্বকে এলার্জি বা চুলকানি হয়। যাদের ত্বকে এলার্জি আছে তারা সেসব কাপড়ের মোজা পড়া থেকে বিরত থাকবে। তাই কৃত্রিম কাপড়ের মোজা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবে।
  • অপরিষ্কার মোজা ব্যবহার করলে ক্ষতিঃ অনেকে আছে একজোড়া মোজা বারবার ব্যবহার করে। মোজা টা পরিষ্কার করে না। যার কারণে পায়ের সমস্যা হতে পারে। কারণ সেই মোজায় থাকা ধুলাবালি ও জীবাণু পায়ে আবার ফিরে আসে। এতে পায়ে ফাঙ্গাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একেই মোজা বারবার ব্যবহার করলে দুর্গন্ধ, ব্যাকটেরিয়া ও ত্বকের সংক্রমনের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • খুব টাইট মোজাঃ টাইট পোশাক মানব দেহের স্বাস্থ্যের জন্য অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। টাইট পোশাক পড়লে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা হয়। এমনকি টাইপ পোশাকের কারণে শরীর ব্যথা শুরু হয়। এজন্য মোজা টাইপ করলে পায়ে দাগ পরে এবং শেষ হতে ব্যথা হয়। রাতে যদি টাইট মোজা পরে ঘুমালে রক্ত চলাচলের সমস্যা হয়। তাই টাইট বা ইলাস্টিক মোজা পড়া ঠিক না যার কারনে  স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।
  • অতিরিক্ত গরম লাগলে ঘুমের ব্যাঘাতঃ অনেক মানুষ আছে যারা অতিরিক্ত ঘামে। গরম কালে অতিরিক্ত শরীর থেকে ঘাম বের হয়। যাদের পায়ের তলা বেশি জ্বালাপোড়া করে তাদের জন্য রাতে মোজা পড়ে ঘুমানো উচিত নয়। আবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মোজা পড়ে ঘুমালে অতিরক্ত গরম লাগে যার ফলে ঠিক মত ঘুম হয় না।

শীতে মোজা পড়ে ঘুমানো কারা এড়িয়ে চলবে

শীতকালে মানুষ প্রায় সারাদিনই কাজের কারণে জুতার সাথে মোজা ব্যবহার করে। এতে করে পা যেন গরম থাকে। কিন্তু সারাদিন জুতা ব্যবহার করার পরে আবার যদি রাতে ঘুমানোর সময় মোজা করে ঘুমায় তাহলে সমস্যা হবে। তাই সেসব লোকের শীতকালে রাতে মোজা পরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকবে। কারণ এতে করে স্বাস্থ্যের সমস্যা হতে পারে। তাই আমাদের সকলের সতর্ক থাকা উচিত এবং সেই সাথে এর কিছু সাবধানতা মানা ভালো। শীতকালে কারা রাতে মোজা পরে ঘুমানোর থেকে বিরত থাকবে নিচে তা দেওয়া হল।

  • সারাদিন বন্ধ জুতা পড়ার পর রাতে আবার মোজা পড়লে পায়ে বাতাস পাবে না। এতে করে পায়ে সমস্যা হতে পারে। এর কারণে অনেক সময় দেখা যায় পায়ের চামড়া উঠে। পায়ে চামড়ায় কেমন ফেক্সা হয়ে যায়। এতে ত্বক দুর্বল হয়ে সংক্রমণ ঝুঁকি বারে।
  • যাদের পায়ে ফোলা বা পানি জমার প্রবণতা আছে তারা রাতে মোজা না পড়ে ঘুমানো ভালো। পা ফোলা থাকলে মোজা চাপ সৃষ্টি করে এবং অস্বস্তি বাড়াতে পারে। অনেক সময় রক্ত চলাচলের সমস্যা হতে পারে।
  • যাদের রাতে পা ঝিনঝিন করে বা জ্বালাপোড়া করে। অনেকের লোকের আছে পায়ের তলা মরিচের মতন জ্বলে যায়। পায়ে কোন কাপড় রাখতে পারেনা। সেসব লোকেদের রাতে মোজা করে ঘুমানো উচিত নয়।
  • যাদের ত্বক খুব সেনসিটিভ স্ক্রিন তাদের জন্য রাতে মোজা পরে ঘুমানো ঠিক না। আবার যাদের হালকা ঘর্ষণে ত্বক লাল হয়ে যায় তাদের জন্য রাতে মোজা পড়া একটি বিরক্ত কর।
  • আবার অনেকের আছে যারা রাতে মোজা পরে ঘুমালে অনেক অস্বস্তি অনুভব করে এতে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই তাদের রাতে মোজা পড়ে ঘুমানো উচিত নয়।
  • যাদের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম থাকে। অনেকের আছে যাদের শরীরের তাপমাত্রা সব সময় গরম থাকে সেই সব লোকের রাতে মোজা পড়ে ঘুমানো থেকে এড়িয়ে চলবে।

ঘুমানোর জন্য শীতে কেমন মোজা ব্যবহার করবে

এতক্ষণ জানলাম শীতকালে কারা রাতে মোজা পরে ঘুমানো থেকে এড়িয়ে চলবে। শীতকালে আমরা কমবেশি সকলেই সব ধরনের গরম কাপড় ব্যবহার করে থাকে। সেই সাথে মোজা ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা এটা খেয়াল করি না কোন ধরনের কাপড় আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। মোজা তো প্রায় সব মানুষের ব্যবহার করে। কিন্তু কোন মোজাটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো সেটা আমরা কখনো যাচাই করে দেখি না। এজন্য আমাদের সকলকে স্বাস্থ্যের দিকে সচেতনা দিক ভেবে আমাদের সেরকম কাপড়ে মোজা বাছায় করতে হবে।

  • সুতি ও উলের মোজা ব্যবহার করবেন
  • ঢিলাঢালা ও নরম মোজা বেছে নিবেন
  • খুব পাতলা মোজা শীতে কাজ করে না। আবার খুব মোটা হলে ঘাম জমে। তাই মাঝারি পুরো বা আরামদায়ক মোজা ব্যবহার করা ভালো।
  • মোজার সেলাই বেশি হলে আঙ্গুলে চাপ লাগে ও অস্বস্তি হয়। সিমলেস বা কম সেলাই যুক্ত মোজা ঘুমের জন্য উপযোগী।
  • পরিষ্কার ও শুকোনো মোজা ব্যবহার ভালো।
  • মোজার মুখে ইলাস্টিক যেন বেশি শক্ত না হয় এতে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
  • আপনি সারাদিন যে মোজাটা ব্যবহার করেন সেটা ঘুমের সময় ব্যবহার না করা উচিত। ঘুমানোর জন্য আলাদা মোজার রাখা ভালো।

শীতে মোজা করে ঘুমানো কি স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ

শীতে মোজা পড়ে ঘুমালে পা উষ্ণ থাকে। ফলে শরীর দ্রুত আরাম পায় এবং ঘুমের মান ভালো হয়। পা গরম থাকলে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে। ঠান্ডা জনিত অস্বস্তি ও ব্যথা কমে। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিকভাবে উপকারী। কারণ তাদের শরীর ঠান্ডা বেশি সহ্য করতে পারে না। বিশেষজ্ঞদের মতে সঠিক ধরনের মোজা ব্যবহার করলে শীতে মোজা পড়ে ঘুমানো সাধারণত নিরাপদ এবং উপকারী। তবে নিয়ম না মানলে বা ভুল মোজা ব্যবহার করলে কিছু সমস্যা হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশের নারীদের জন্য নতুন ৮টি ব্যবসার আইডিয়া 

যদি মোজা খুব টাইট হয়, অপরিষ্কার বা কৃত্রিম কাপড়ের হয় তাহলে ঘাম জমে চুলকানি, ফাঙ্গাল, সংক্রমন বা অস্বস্তি হতে পারে। আবার যাদের পায়ে আগে থেকে কোন সংক্রমণ, অতিরিক্ত ঘাম বা চর্মরোগ আছে তাদের ক্ষেত্রে মোজা করে ঘুমানো নিরাপদ নাও হতে পারে।সুতি বা উলের ঢিলাঢালা মোজা ব্যবহার করা, প্রতিদিন পরিষ্কার মজা পড়া এবং ঘুমানোর আগে পা শুকানোর রাখা জরুরি। শরীরে অতিরক্ত গরম লাগলে মোজা খুলে ফেলা ভালো

শীতে পা গরম রাখার বিকল্প উপায়

শীতকালে যারা মোজা পড়ে ঘুমাতে পারেন না বা ঘুমালে সমস্যা হয় তাদের জন্য পা গরম রাখার বিকল্প উপায় রাখতে হবে। যাতে করে পা ঠান্ডা হয়ে সমস্যা তৈরি করতে না পারে। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই রাতে ঘুমানোর আগে তাকে গরম করার জন্য বিকল্প কিছু নিয়ম পালন করতে হবে। আসুন নিচের বিকল্প উপায় গুলো জেনে নিন।

  • মোটা কম্বল ব্যবহার
  • ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজানো
  • নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে পা ম্যাসাজ
  • রুম হিটার বা গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার
  • হালকা আগুনের তাপ দিয়ে পা গরম করা
  •  মোটা কাপড় দিয়ে পা ঢেকে রাখা

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ শীতকালে পায়ে মোজা পড়া কেন দরকার?

উত্তরঃ শীতকালে পায়ে মোজা পড়লে পা উষ্ণ থাকে ফলে ঠান্ডা জনিত অস্বস্তি ও ব্যথা কমে। স্বাভাবিক থাকে এবং ঘুম ও দৈনন্দিন আরাম ভালো হয়।

প্রশ্নঃ শীতে সবচেয়ে আরামদায়ক মোজা কোনগুলো?

উত্তরঃ শীতের সময় সবচেয়ে আরামদায়ক মোজা হলো সুতি ও উলের এবং ফ্লিস মোজা। এগুলো পা উষ্ণ রাখে এবং ঘাম জমতে দেয় না। ঘুম ও দৈনন্দন ব্যবহারের জন্য ঢিলাঢালা, নরম ও শ্বাস-প্রশ্বাসযোগ্য মোজা সবচেয়ে আরামদায়ক।

প্রশ্নঃশীতে পায়ে মোজা না পড়লে কি ক্ষতি হবে?

উত্তরঃ শীতে পায়ে মোজা না পড়লে পা অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে ব্যথা, জড়তা ও অস্বস্তি হতে পারে। এতে রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত ঘটে এবং ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

উপসংহার শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা

শীতকালে আমাদের শরীরকে গরম রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের গরম কাপড়ের পাশাপাশি কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে। আর সেই সাথে স্বাস্থ্যকর খাবারও খেতে হবে। কারণ স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের পোশাক এবং খাবারের দিকে সচেতন হতে হবে। তবে অনেক সময় আমরা পায়ের সেভাবে যত্ন নিন না। তাই পাকে ঠান্ডা থেকে ভালো রাখতে হলে অবশ্যই ভালো মানের কাপড়ের মোজা ব্যবহার করতে হবে। উপরে আলোচনা করলাম শীতে মোজা পরে ঘুমানোর ৬টি উপকারিতা এবং অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। আর্টিকেল পড়ে আপনি অবশ্যই সচেতন হবেন। আপনার যদি কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জানান ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url