অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় জানা প্রয়োজন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় জানা প্রয়োজন তা নিচে তুলে ধরা হলো।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা প্রয়োজন। যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চান তাহলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

অ্যাফিলিয়েট-মার্কেটিং-করার-জন্য-১১টি-বিষয়

আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। চলুন তাহলে জেনে নিন অ্যাফিলিয়েট  মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয়ে জানা প্রয়োজন তা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।

পেজ সূচিপত্রঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় জানা প্রয়োজন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় জানা প্রয়োজন

আপনি যদি ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সে বিষয়ে জ্ঞান থাকা লাগবে। সঠিক নিয়ম ছাড়া কখনো কোন কিছু সম্ভব না। তাই আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে আগে প্রস্তুতি নিতে হবে। তারপরে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জেনে তার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই আর্টিকেলের মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটে সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় গুলো নিচে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন।

  • পরিকল্পনাঃ যে কাজ করতে যান না কেন আপনাকে আগে থেকে সে সম্পর্কে পরিকল্পনা করতে হবে। আপনি যদি আগে থেকে পরিকল্পনা না করেন তাহলে কোন কাজ কখনোই সম্ভব না। আপনি যদি আগে থেকে সবকিছু প্ল্যান সাজিয়ে কাজ করেন তাহলে অবশ্যই সফলতা আসবে ইনশাল্লাহ।
  • আপনি যে কাজ করুন না কেন আপনাকে আগে ইনভেস্ট করতে হবে। আপনার ব্যবসা টাকে আপনি কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান বা দেখতে চান সেটা ভাবতে হবে। আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ শূন্য হাতে আসতে পারবেন না। প্রোডাক্টগুলো রিভিউ দেখানোর জন্য রাইটার দরকার, ভালো ডিভাইস, ভালো নেট কানেকশন এগুলোর জন্য আপনাকে ইনভেস্ট করাই লাগবে।

আরো পড়ুনঃ অনলাইনের মাধ্যমে মোবাইল লোন নেওয়ার নিয়ম ও মোবাইল ব্যাংকিং লোন

  • নিশ নির্বাচন করুনঃ নিশ হচ্ছে আপনি যে বিষয়ে প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন তাকে নিশ বলা হয়। সুন্দর এবং সময় উপযোগী নিশ বাছায় করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটা নিশ বাছাই করুন যেটা সব সময় প্রয়োজন হয়।যেমন স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ কে আপনি সিলেক্ট করতে পারেন।
  • আপনি কোন কাজটা ভালো পারেন বা কোন কাজের আগ্রহ বেশি সে অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট নিশ নির্বাচন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে সেই বিষয়ে ভালো কন্টেন্ট তৈরি করতে এবং দর্শকদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করবে। আপনার কনটেন্ট যত ভালো হবে আপনি তত দর্শকদের কাছাকাছি যেতে পারবেন। তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিশ নির্বাচন করা।
  • নিজস্ব ওয়েবসাইটঃ অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং এর জন্য যে জিনিসটি মাস্ট লাগবে সেটা হচ্ছে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট। যেখানে আপনার আর্টিকেল গুলো রাখতে পারবেন এবং একজন কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জন করার জন্য একটি ওয়েবসাইটের গুরুত্ব অনেক।
  • অ্যাফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করাঃ অ্যামাজন,আলিবাবা এবং অন্যান্য প্রোগ্রামিং গুলোর মধ্য থেকে আপনার নির্বাচিত নিশের সাথে সংযোগ রেখে একটি প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করুন। যাতে করে আপনার কাজ ভালোভাবে হয়।
  • আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করুনঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং জন্য আপনাকে আকর্ষণীয় কন্টেন্ট ও মূল্যবান কনটেন্ট তৈরি করুন।যার মাধ্যমে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং তাদের কেনাকাটা সিদ্ধান্ত নিতে সহজ করে।
  • এসইওঃ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(SEO)সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। আপনার কনটেন্ট সার্চ ইঞ্জিন গুগলে সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসইও সম্পর্কে আপনার জ্ঞান যদি না থাকে  তাহলেঅ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য খুব একটা সহজ হবে না। আপনার কনটেন্ট গুলো গুগলে  রাঙ্ক করার জন্য এসইও জানাটা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • ইমেল মার্কেটিংঃ ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি দর্শকদের সাথে একটি সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন। এবং তাদের কাছে নতুন পণ্য বা অফার সম্পর্কে জানাতে পারবেন। ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি দেশ থেকে বিদেশে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন। এবং খুব দ্রুত আপনার পণ্যের প্রচার ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে করতে পারবেন।
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি দর্শকদের কাছে আপনার পণ্য বা লিংক খুব সহজে প্রচার করতে পারবেন। এতে করে আপনি ক্লায়েন্ট বা দর্শকদের খুব কাছাকাছি সহজেই যেতে পারবেন।
  • ট্রাফিক বৃদ্ধিঃ আপনার ওয়েবসাইটে দর্শক আনার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করুন। যাতে করে আপনার ওয়েবসাইটে অনেক ক্লাইন্ট বা দর্শক আসে। এই জন্য আপনাকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একাউন্ট করতে হবে এবং একটা করে গিক দিতে হবে।
  • ডেটা বিশ্লেষণঃ অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে আপনার কর্ম ক্ষমতা এবং কাজের দক্ষতা দিয়ে একটি ডেটা বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার কৌশল গুলো অফটিমাইজ করতে আর ভালো ফলাফল পেতে অনেক সাহায্য করবে।
  • নেটওয়ার্কিংঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে অবশ্যই নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি দেশ বিদেশির ক্লায়েন্টদের সাথেযোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি

উপরে আলোচনা করেছি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় এর সম্পর্কে।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অন্যের পণ্য বিক্রি করা। যখন কেউ অন্য কোম্পানি জিনিস বিক্রি করতে হেল্প করে তা থেকে যে কমিশনটা পায় সেটা হচ্ছে মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনি অন্যের ব্যবসা বিক্রি করে দিয়ে অর্থ আয় করতে পারবেন। বর্তমানে অনেকে এমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামিং করে টাকা ইনকাম করছে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করব

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে প্রথমে একটি প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করুন। যেমন ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া। আপনার যদি একটা নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে খুব সহজে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে ভালো মনের কনটেন্ট লিখতে হবে। যাতে করে আপনি ওয়েবসাইটে  ট্রাফিক আনতে পারেন। এইজন্য বিভিন্ন মার্কেট কৌশল ব্যবহার করুন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে। কিছু জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাইটের মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন এফিলিয়েট, আলিবাবা,ইবে অ্যাফিলিয়েট,ফ্লিপকার্ট অ্যাফিলিয়েট ইত্যাদি।এছাড়া বিভিন্ন  ই-কমার্স সাইট,গেমিং সাইট এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম করে থাকে।এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গুলো সাধারণত তাদের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পণ্যের তালিকা প্রদর্শন করে এবং এফিলিয়েট মার্কেটারার তাদের লিংক ব্যবহার করে পণ্যগুলো প্রচার করে যখন কোনো গ্রাহক সে লিংক থেকে কোন পণ্য ক্রয় করে তখন সে ব্যাক্তি একটা কমিশন পায়।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন করব

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল একটি পারফরমান্স ভিত্তিক বিপন্ন কৌশল।যেখানে আপনি অন্যের পণ্য বা সেবা প্রচার করে তাদের বিক্রি থেকে কমিশন আয় করতে পারেন।এই মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি কোন ঝুঁকি ছাড়া অনলাইনে আয় করতে পারবেন এবং নিজের ব্যবসায় একটা ধারণা লাভ করতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  কয়েকটি ধাপ নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • ঝুঁকি কম
  • কমিশন আয়
  • নিজের ব্যবসা শুরু করার একটি ধারণা
  • কাজের স্বাধীনতা আছে
  • বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবেন
  • নতুন কিছু শেখা যাবে এ মার্কেটিং এ কাজ করলে
  • আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি পাবেন

মোবাইল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটা লাভজনক ব্যবসা হতে পারে। কিন্তু এর জন্য কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের প্রয়োজন। আপনি যদি একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকে তবে আপনি মোবাইলে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারবেন।এফিলিয়েট মার্কেটিং হল এটা প্রক্রিয়ার যেখানে আপনি অন্য কোম্পানির পণ্য  প্রচার করে তাদের বিক্রয় করতে সহায়তা করবেন এবং সেখান থেকে আপনি একটা কমিশন পাবেন। চলুন তাহলে মোবাইল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার কিছু টিপস গুলো সম্পর্কে জানি।

  • বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করুন যেমন ভিডিও ছবি বা টেক্সট।
  • আপনার কনন্টেন্ট আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল ব্যবহার করুন।
  • আপনি দর্শকদের সাথে নিয়মিতভাবে যুক্ত থাকুন এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর দিন।
  • আপনি এপ্রিলিয়েট লিংক প্রচার করার জন্য বিভিন্ন প্লাটফর্ম ব্যবহার করুন।
  • আপনার মার্কেটিং কৌশল অপটিমাইজ করার জন্য ডেটা বিশ্লেষণ করুন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল একটি লাভজনক এবং জনপ্রিয় অনলাইন আয় করার মাধ্যম।এর প্রধান সুবিধা হল কম খরচ এবং ঝুঁকি ছাড়া ব্যবসা শুরু করা যায়। এক কথায় অন্যের পন্য বিক্রি করে টাকা ইনকাম করা। এছাড়াও নিজের পছন্দ দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করা স্বাধীনতা, প্যাসিভ ইনকাম করার সুযোগ এবং বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ পাওয়া যায়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কিছু প্রধান সুবিধা গুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

  • ব্যবসার ক্ষেত্রে কম রিস্ক এবং কম ইনভেসমেন্ট করতে হয়।
  • নিজের পছন্দ ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করা স্বাধীনতা আছে এই মার্কেটে।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রচারণা করে আপনি নিয়মিত ইনকাম করতে পারবেন যা প্যাসিভ ইনকাম হিসেবে পরিচিত।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টদের কাছে পণ্য বা সেবা বিক্রি করার একটা সুবিধা।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা তাদের প্রচার করা পণ্য প্রত্যেকটা বিক্রয়ের জন্য একটি কমিশন আয় পায়।
  • বিভিন্ন ধরনের পণ্য প্রচারের সুযোগ পায় এ মার্কেটের মাধ্যমে।
  • নিজের ব্যান্ড তৈরি করার সুযোগ বা পরিচিত লাভ এ মার্কেটের মাধ্যমে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার কয়েকটি উপায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা কয়েকটি উপায় রয়েছে। আপনি কি মার্কেটিং এর মাধ্যমে সফল হতে চান এর সহজ উপায় হল বৃহৎ অর্ডিন্যান্স এবং ট্রাফিক সোর্স। আপনার প্রোডাক্ট বা সেবা যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে আপনার সেল ততটাই বাড়বে। চলুন জেনে নেয়া যাক বেশ কিছু জনপ্রিয় উপায়।

  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ একবিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় প্রচলিত মার্কেটপ্লেস হলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। আমাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় ফেসবুক। ফেসবুকে ২.৮ বিলিয়ন মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। যা এদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম করে তুলেছে। ২০২৩ সালে ফেসবুক ওয়াল্ড ওয়াইড নেট কালেকশন $815 বিলিয়ন।
  • ওয়েবসাইট আফলিয়েট মার্কেটিংঃ বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো গুগল। বিশ্বব্যাপী গুগলের ইউজার সংখ্যা রয়েছে ৪.৩ বিলিয়ন। প্রতি সেকেন্ডে ৯৯ হাজারটির বেশি সার্চ করছে যা প্রতিদিন প্রায় ৮.৫ মিলিয়ন বেশি ব্যবহার হচ্ছে। তাই বোঝা যাচ্ছে এখানে আপনি হিউজ পরিমান অডিয়েন্স পাচ্ছেন।
  • ইউটিউব মার্কেটিংঃ ইউটিউব মার্কেটিং হল একটি ডিজিটাল বিপন্ন কৌশল।যেখানে ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কোন ব্র্যান্ড পণ্য বা সেবা প্রচার করা হয়।এটা মূলত ভিডিও কনন্টের মাধ্যমে টার্গেট এর কাছে পৌঁছানো এবং তাদের সাথে যুক্ত হওয়ার একটি মাধ্যম।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো তার উপায়

  • ইমেইল মার্কেটিংঃ ইমেইল মার্কেটিং হল আপনার ব্যবসা বা পণ্য বিভিন্ন ক্লাইন্টদের কাছে পৌঁছে দেয়ার একটা মাধ্যম। ইমেইল করে আপনি খুব সহজে তাদের কাছে আপনার কোন পৌঁছে দিতে পারবেন। এবং ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগের একটা সুবিধা ইমেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।
  • আডভার্টাইজমেন্ট মার্কেটিংঃএডভার্টাইজিং বা  বিজ্ঞাপন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন পণ্য সেবা বা ধারণার প্রতি জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করা ।সাধারণত অর্থ প্রদানের মাধ্যমে এটা একটি যোগাযোগ মাধ্যম যা কোন পণ্য ব্যান্ড বা সেবার প্রতি আগ্রহ তৈরি মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং বিক্রি বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন টেলিভিশন সংবাদপত্র ম্যাগাজিন রেডিও ইন্টারনেটের কোন পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখা।

FQA: অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ভালো ক্যারিয়ার?

উত্তরঃ হ্যাঁ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ভালো।

প্রশ্ন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হওয়া কি কঠিন?

উত্তরঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি দক্ষ অনুশীলন, এর কাজগুলো শেখা একটু ধীর তাই কাজটি কঠিন হতে পারে।

প্রশ্নঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি বেতন পায়?

উত্তরঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটেরার গ্রাহকদের কেনাকাটা করা কোম্পানিতে রেফার করার জন্য একটি কমিশন পায়।

প্রশ্নঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ডিজিটাল দক্ষতা?

উত্তরঃ এটি সাধারণত আধুনিক ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

শেষ কথা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় জানা প্রয়োজন

আমরা উপরে এতক্ষণ ধরে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন মার্কেটিং সম্পর্কে। আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে আপনি একটা কাজ ভালোভাবে শিখে তারপর শুরু করুন। তবে যে কাজ করুন না কেন শ্রম ধৈর্য পরিশ্রম সব লাগবে। কারণ পরিশ্রম ছাড়া কখনো সফলতা সম্ভব না।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১১টি বিষয় নিয়ে উপরে আলোচনা করেছি। আপনি ভালোভাবে বুঝে কাজগুলো অবশ্যই টাকা আয় করতে পারবেন।

এই আর্টিকেলটা পড়ে আপনার যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে অনলাইন প্লাটফর্ম গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করুন। তারপরে কাজে লেগে যান। আশা করি বুঝতে পেরেছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়। আপনার যদি উপকার হয় তাহলে কমেন্ট বক্সে আপনার মতামতে জানান আর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ধন্যবাদ।

 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url