মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা

মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। মোবাইল ফোন মানুষের জীবনে একটি অংশ এবং অনেক সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে মানুষ এখন সব কাজ মোবাইলের মাধ্যমে করে। এক কথায় বলতে পারেন মোবাইল ফোন মানুষের জীবনের অংশ।

মোবাইল-ফোনের-প্রভাব-মানুষের-জীবনে
অন্যদিকে অতিরক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার কারণে এর প্রভাব মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে পরছে।যেটা ভালো নয়।তাই আমাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় অবশ্যই সচেতনতা এবং সময় নির্ধারণ করা বেশি প্রয়োজন।আসুন নিচে মোবাইল ফোনের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো জানি।

পেজ সূচিপত্রঃ মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা

মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা গুলো

আগামী দিনের মানুষ যোগাযোগের জন্য অনেক কষ্ট হতো। একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য পায়ে হেঁটে তার কাছে যেতে হতো। বা কোন প্রয়োজনীয় কাজ হলে তা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো। বা যারা দূরে থাকতো তাদের সাথে যোগাযোগের কোন রাস্তা থাকত না। তখন মানুষ বছরের একদিন দেখা হতো বা যোগাযোগ হতো। কিন্তু যুগ পাল্টিয়েছে। বর্তমানে এখন আর তা অসম্ভব নয়। বর্তমান যুগে প্রযুক্তির যুগ বলা হয় আর সেই প্রযুক্তির সবচেয়ে শক্তিশালী উপহার হলো মোবাইল ফোন। এখন মানুষ কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারে। একে অপরের সাথে কথা বলতে পারে এমনকি ব্যবসার সকল কাজ করতে পারে খুব সহজে।

একসময় যোগাযোগের জন্য মানুষকে চিঠি বা টেলিফোনের উপনির্ভর করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে এখন এটি একটি ছোট ডিভাইসের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সঙ্গে মুহূর্তের সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব। মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয় এটি শিক্ষা ব্যবস্থা বিনোদয় স্বাস্থ্য সেবা এবং ব্যক্তিগত উন্নয়নের হিসাবে কাজ করছে। তবে এর যেমন অনেক সুবিধা আছে তেমন কিছু অসুবিধা রয়েছে। যা আমাদের সচেতনভাবে বিবেচনা করার প্রয়োজন। চলুন নিচে মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা গুলো জেনে নিন।

মোবাইল ফোন কি এবং এর ইতিহাস সংক্ষেপে

মোবাইল ফোন হল একটি বেতার যোগাযোগ যন্ত্র যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট তার বা সংযোগ ছাড়াই দূরবর্তী স্থানে থাকা মানুষের সঙ্গে কথা বলা বার্তা আদান-প্রদান এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার করা যায়। এটি মূলত রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে নিকটবর্তী সেল টাওয়ার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কাজ করে। তাই একে সেলুলার ফোন ও বলা হয়। মোবাইল ফোনের ধারণা ২০ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে গড়ে ওঠে যখন বিজ্ঞানীরা তার বিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল মার্কিন প্রকৌশলী মার্টিন কুপার যিনি সেই সময় মটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। প্রথমবারের মতো হাতে ধরা মোবাইল ফোন দিয়ে প্রকাশ্যে কল করেন। এই ঘটনাকে আধুনিক মোবাইলের ফোনের সূচনা হিসাবে ধরা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮০ এর দশকে বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বাজারে আসে। যদিও তখন সেগুলো আকারে বড় এবং ব্যবহারের ব্যয়বহুল ছিল। ধীরে ধীরে প্রযুক্তি উন্নয়নের মোবাইল ফোন ছোট হালকা ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

আরো পড়ুনঃ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফেক কল বন্ধ করার নিয়ম

২০০০ সালের পর স্মার্টফোনের আবির্ভাব মানুষের জীবনে নতুন বিপ্লব ঘটায়। কারণ এতে কল করা ছাড়াও ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছবি তোলা ভিডিও দেখা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার অনলাইনে লেনদেনসহ অসংখ্যা সুবিধা যুক্ত হয়। বর্তমানে মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয় এটি শিক্ষা ব্যবস্থা স্বাস্থ্যসেবা ও বর্ণ বিনোদনের একটি বহুমুখী ডিজাইন ডিভাইসে পরিণত হয়েছে। নিচে মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

মোবাইল ফোনের সুবিধা

মোবাইল ফোন আমাদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোবাইলের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে। এমনকি দূরের মানুষের সাথে খুব সহজে কথা বলতে পারি। মোবাইল এর মাধ্যমে আমাদের জীবনের সমস্ত কাজ আমরা খুব সহজে করতে পারি। কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তার দ্রুত সমাধান করতে পারে। আবার কেউ অসুস্থ হলে জরুরী সেবার নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা যায়। বলতে পারেন এক কথায় মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের অংশ। চলুন মোবাইল ফোন ব্যবহারের আর কি সুবিধা রয়েছে তা আমরা এখন নিতে জানবো।

  • যোগাযোগের সুবিধাঃ মোবাইল ফোনের সবচেয়ে সুবিধা হচ্ছে যোগাযোগের। দূরের মানুষের সঙ্গে ফল মেসেজ বা ভিডিও কলের মুহূর্তের সংযোগ স্থাপন করা যায়।
  • শিক্ষা ও শেখার সুযোগঃ অনলাইনে ক্লাস শিক্ষামূলক ভিডিও ই-লেখা ও ই-বুকের মাধ্যমে যে কোন স্থান থেকে শেখা সম্ভব। শিক্ষার ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন বিশেষ সুবিধা রয়েছে।
  • আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগঃ মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা হচ্ছে আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। এখন মানুষ বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে মোবাইলের মাধ্যমে ঘরে বসে ইনকাম করতে পারছে। ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করা সহজ মোবাইলের মাধ্যমে।
  • বিনোদন ও অবসরঃ গান সিনেমা গেম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিনোদন পাওয়া যায় মোবাইলের মাধ্যমে। কাজের ফাঁকে অবসর টাইমে একটু মনটাকে ভালো করার জন্য বিনোদন উপভোগ করা যায় মোবাইলের মাধ্যমে।
  • ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেনঃ মোবাইলে ব্যাংকিং এবং অনলাইন প্রেমেন্ট সুবিধা জনক ও দ্রুত। এখন মোবাইলের মাধ্যমে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় বিল ব্যাংকিং টাকা বা আর্থিক লেনদেন খুব দ্রুত এবং কম সময় করতে পারবে।
  • স্বাস্থ্য ও জরুরি সেবাঃ মোবাইলের মাধ্যমে মানুষ এখন স্বাস্থ্য ও জরুরি সেবা নিতে পারে। যেমন স্বাস্থ্য অ্যাপ টেলি মেডিসিন এবং জরুরী কলের মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যায়।

মোবাইল ফোনের অসুবিধা

মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের অংশ কিন্তু অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে এর প্রভাব ফেলছে আমাদের জীবনে। যা ভালো থেকে খারাপ কম নয়। মোবাইল ফোন আমাদের জীবনে অনেক সুবিধা এনেছে তবে অতিরিক্ত ব্যবহারে জীবনের নানা ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করছে। ছোট্ট একটা ডিভাইস হল যখন নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ব্যবহৃত হয় তখন তা শারীরিক মানসিক সামাজিক ও আর্থিক জীবনের ক্ষতির প্রভাব ফেলে। নিজের মোবাইল ফোনের মূল অসুবিধা গুলো দেওয়া হলো।

  • শারীরিক স্বাস্থ্যঝুঁকিঃ আমরা যখন দীর্ঘক্ষণ মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ রাখে তখন আমাদের চোখের ব্যথা মাথা ব্যথা ঘাড় ও পিঠ ব্যথা হয়ে থাকে। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে রাত্রে বেশি মোবাইল ব্যবহার করা। রাতে বেশি মোবাইল ব্যবহার করলে রাতের ঘুমের ঘাটতি থেকে যায়। যা আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • মানসিক চাপ ও উদ্বিগ্নঃ বর্তমানে মানুষের এখন একটা খারাপ অভ্যাস হচ্ছে বারবার ফোন চেক করা। যার কারণে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো মিস করে ফেলি। যেমন বারবার ফোনের স্ক্রিন চেক করা কমেন্ট লাইক দেখা নোটিফিকেশন মেসেজ দেখা। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা বা খারাপ দিক বলেন তা হল অন্যের জীবন দেখে হতাশা ও অস্থিরতা নিজের মধ্যে তৈরি করা।
  • পারিবারিকভাবে দূরত্ব তৈরি হওয়াঃ বর্তমানে এই মোবাইল ফোনের কারণে পরিবারের মানুষের সাথে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। মানুষ এখন বাড়িতে থেকেও সংসার বাবা মা সন্তান স্ত্রীকে বা আত্মীয় স্বজন কাউকে সময় দিতে পারছে না। যার কারণে পারিবারিকভাবে একে অপরের সাথে দ্রুত তৈরি হচ্ছে।
  • সামাজিক যোগাযোগের অবনতিঃ বর্তমানে মানুষের সাথে একে অপরের যোগাযোগের মাধ্যম হল কৃত্রিমভাবে তাও উপভোগ করা যায় না। কারণ বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া বা প্রতিবেশীর সাথে গল্প করা পরিবারের সাথে সুখ দুগ ভাগাভাগি করা এখন বর্তমানে মানুষের মাঝে নাই। যার কারণে সামাজিক যোগাযোগের উন্নতি হল অবনতিও রয়েছে।
  • আর্থিক ঝুঁকিঃ মানুষ মোবাইলের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়েছে যে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুকে ঢুকে এটা সেটা দেখে থাকে। যার কারণে অনেক সময় প্রয়োজন নাই তার ওপরও অনলাইনে লোভে পড়ে কেনাকাটার করে থাকে। আবার প্রতারণা চক্রে পড়ে অনেকেই টাকা হারাচ্ছে। যার কারণে মানুষ আর্থিকভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।
  • নৈতিকতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ দুর্বলতাঃ বর্তমানে মানুষের ভিতরে নৈতিকতা বা আত্ম নিয়ন্ত্রণতা একেবারেই নাই বললেই চলে। কারণ মানুষ নিজের ভেতরে নিয়ন্ত্রণ করা ভুলে গেছে। নিজের কাজ ও দায়িত্ব এড়ানো ধৈর্যহীনতা এবং শৃঙ্খলা কমে যায় এ মোবাইল ফোনের কারণে।

মোবাইল ফোনের ব্যবহারে করনীয় ও সচেতনতা

মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা এর আরেকটি মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল ফোনের ব্যবহারে করণীয় ও সচেতনতা। যেটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। না হলে দিন দিন মানুষ একে অপরের সাথে সম্পর্ক রাখায় ভুলে যাবে। কারণ একজন মানুষ মোবাইল থাকলে সারাদিন আর কে আছে সেটা দেখার সময় পায়না। ব্যস্ততা এতটাই নিজেদেরকে আকৃষ্ট করেছে যে মানুষ ভুলে গেছে একে অপরের সাথে সম্পর্ক রাখার কথা। তাই মোবাইল ফোন ব্যবহারে আমাদের কিছু করণীয় ও সচেতনতা রাখা প্রয়োজন। যাতে দিন শেষে আমরা আমাদের জীবনটা উপভোগ করতে পারে। চলুন নিচে মোবাইল ফোনের ব্যবহারের করণীয় ও সচেতনাগুলো জেনে নিন।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার নিয়ম

  • সঠিকভাবে মোবাইল ব্যবহারের উপায়ঃ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হলে সময় নির্ধারণ করা প্রয়োজন। প্রয়োজনের কাজের বাইরে অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করাই ভালো মোবাইলে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে শেখাও উন্নয়নের জন্য অপচয়ের জন্য নয়।
  • শিশু ও কিশোরদের জন্য গাইড লাইনঃ শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে মোবাইল ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত। অভিভাবকদের উচিত তাদের অনলাইনে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা এবং শিক্ষামূলক কাজে উৎসাহ দেওয়া।
  • ডিজিটাল নিরাপত্তা বজায় রাখার উপায়ঃ ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত এবং কখনো ওটিপি বা গোপন তথ্য অন্যের শেয়ার করা উচিত নয়। সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করা এবং নিরাপদে অ্যাপ ব্যবহার করা নিরাপত্তার জন্য জরুরী।
  • রাতে মোবাইল ব্যবহার সময় নির্ধারণ করাঃ বর্তমানে মানুষের সব থেকে খারাপ অভ্যাস হচ্ছে রাতে মোবাইল ব্যবহার করা। তাই আমাদের সকলের উচিত রাত্রে মোবাইল ব্যবহার করা কমিয়ে দেওয়া। কমপক্ষে ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে মোবাইলের স্কিন থেকে নিজেকে দূরে রাখা। শুধু মোবাইল বলে নয় প্রযুক্তির ডিভাইস গুলো থেকেই দূরে থাকা।

FAQ: প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ আমাদের জীবনে মোবাইল ফোনের গুরুত্ব?

উত্তরঃ আমাদের জীবনে মোবাইল ফোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দ্রুত যোগাযোগ তথ্য ও বিনোদনের সুবিধা প্রদান করে। এছাড়া কাজ শিক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সহজ ও দ্রুত হয়।

প্রশ্নঃ সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য মোবাইল ব্যবহারের কোন নিয়মের প্রয়োজন?

উত্তরঃ সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য মোবাইলে ব্যবহারে সময় সীমা নির্ধারণ করা এবং প্রয়োজন এর ভিত্তিতে ব্যবহার করার জরুরী। পাশাপাশি বিরতি নিয়ে স্ক্রিনটাইম কমানো ও বাস্তব জীবনের কাজ ও সম্পর্কের সঙ্গে ভারসাম্য রাখা উচিত।

প্রশ্নঃ বাণিজ্যিকভাবে উপলদ্ধি প্রথম স্মার্টফোন কোনটি?

উত্তরঃ বাণিজ্যিকভাবে প্রথম স্মার্টফোন হিসাবে ১৯৯৪ সালে আইবিএম সায়মন পার্সোনাল কমিউনিটিকেটর বাজারে আসে। এটি কল বার্তা ই-মেইল এবং কিছু অ্যাপ চালানোর সুবিধা প্রদান করত।

উপসংহার মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা

মোবাইল ফোন মানুষের জীবনে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। এটি যেমন আমাদের জীবনকে সহজ অবতিশীল করেছে তেমনি অসচেতন ব্যবহারে নানা সমস্যা সৃষ্টি করছে। তাই মোবাইল ফোনের সুবিধা গ্রহণ করতে হলে এর সঠিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা প্রযুক্তিতে আমাদের কল্যাণ কাজে লাগাতে পারি। যদি আমরা সঠিকভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারি তাহলে অবশ্যই আমাদের দেশের উন্নয়নের সাথে সাথে আমাদের জীবনের সফলতা আসবে। এজন্য আমাদের মোবাইল ফোনের প্রভাব মানুষের জীবনে সুবিধা ও অসুবিধা গুলো মনে রেখে মোবাইল ব্যবহার করা সকলেরই উচিত ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সামিজা৪২ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url